সব খেলাতেই জয়-পরাজয় থাকে। খেলা শেষে খেলোয়াড়রা তাদের হিসাব-নিকাশ মেলান, তবে জীবনের সব হিসাব সব সময় মেলে না। যখন হিসাব মেলে না, তখন নানা সন্দেহের জন্ম নেয়। আবার অতি চালাকি করতে গিয়ে কখনও কখনও তা বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে। তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে দর্শনা কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সহ- সম্পাদক মোস্তফিজুর রহমানের কার্যক্রমে।
গত ১৭ অক্টোবর কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান চাকরি থেকে অবসরে গেলে ওই পদটি শূন্য হয়। বিধি অনুযায়ী ১ নম্বর সহ-সম্পাদক হিসেবে পদটি অধিকার করার কথা ছিল। কিন্তু ২ নম্বর সহ-সম্পাদক মোস্তফিজুর রহমান সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালান। ব্যর্থ হয়ে তিনি ইউনিয়নের বাইরের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, মোস্তফিজুর গত দুই বছর ধরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ইসমাইল ড্রাইভারের কাছ থেকে গাড়ি কেড়ে নিয়ে নিজেই চালাচ্ছেন। যদিও তার ট্রাকের ড্রাইভার কখনো গাড়ি চালাতে গিয়ে ট্রিপ মারেনি। মোস্তফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে স্থায়ী ট্রাক চালক লম্বু ইসমাইলের গাড়ি (চুয়াডাঙ্গা-ই-১১-০০১৫) ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, প্রশ্ন উঠছে একজন মেনটেনেন্স হেলপার হয়ে তিনি কীভাবে পে-কমিশনে দায়িত্ব পালন করছেন? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আশা করা হচ্ছে, সকল অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সমীকরণ প্রতিবেদন