চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এক নারীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে নগদ ১ হাজার ৪ শ টাকা চুরি করেছে চোর চক্র। হাসপাতালে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা না থাকায় চোর সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, হাসপাতালে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন জাগছে সর্বমহলে। তারা কি শুধু তাদের দেয়া বরাদ্দের ঘরে বিশ্রাম নিবে!
ভুক্তভোগী নারী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জালশুকা গ্রামের আশিকের স্ত্রী শম্পা খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে অনিক ঠান্ডা, জ্বরে আক্রান্ত। সদর হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান মিলনকে দেখানোর জন্য টিকিট কেটে ২০১৩ নম্বর কক্ষের সামনে ভীড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। এরই মধ্যে আমার কাছে থাকা একটি বাজার করা ব্যাগে রাখা ভ্যানিটি ব্যাগটি খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে যায়। আমার ভ্যানিটি ব্যাগের মধ্যে ১ হাজার ৪ শ টাকা ছিল।’ টাকাসহ ভ্যানিটি ব্যাগ না পেয়ে ছেলের চিকিৎসা না দিয়েই হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন শম্পা খাতুন।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা হাজারো রোগী ও তাদের সাথে থাকা স্বজনদের চিকিৎসকের কক্ষের সামনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এ চুরির ঘটনা সবাইকে আতঙ্কিত করে তোলে। অপর দিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে।
সমীকরণ প্রতিবেদন