মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কেরুতে শ্রমিক—কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণে অনিয়ম ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-১০-২০২৪ ইং
কেরুতে শ্রমিক—কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণে অনিয়ম ও অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ

দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ১০৪ জন শ্রমিক—কর্মচারীর চাকরি মৌসুমী থেকে স্থায়ীকরণে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন। গতকাল সোমবার দুপুরে তদন্তকারী প্রতিনিধি দলের ৩ সদস্যের কর্মকর্তারা তদন্তে কেরু চিনিকলে এসে তদন্ত শুরু করেন। তদন্তকারী দলের সদস্যরা চারজনকে চিঠি দিয়ে জবানবন্দি নিয়েছেন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি মোহাম্মদ মোশারেফ হোসেন, শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ ও মহিদুল নামের এক শ্রমিককে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য কর্পোরেশনের সচিব আনোয়ার কবির। অন্য দুজন সদস্য হলেন— শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো. শামীমুল হক ও যুগ্ম সচিব ও পরিচালক (অর্থ) মনিরুজ্জামান মিয়া।
দর্শনা কেরু চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৩ ও ১৪ মে দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানিতে মৌসুমী শ্রমিক ও কর্মচারী থেকে স্থায়ীকরণের বিষয়ে লিখিত পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কেরু উচ্চবিদ্যালয়ে। পরের দিন মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্স ভবনে। গত ১৫ মে তাদের যাচাই—বাছাই করার সময় বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন সচিব কাওসার আহম্মেদ স্বাক্ষরিত জরুরি পত্রে দর্শনা কেরু কোম্পানিসহ দেশের ৯টি চিনিকলের চাকরি স্থায়ীকরণ কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশনা দেন। কিন্তু ১৫ মে ওই দিন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি চিনিকলের ১০৪ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে পদোন্নতিপত্র প্রদান এবং ওই দিনই কর্মস্থলে যোগদানপত্র হাতে তুলে দেন সাবেক এমডি মোহাম্মদ মোশারেফ হোসেন।
এ ঘটনায় জাতীয় ও স্থানীয় পত্র—পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে কতৃর্পক্ষ। এ ঘটনার পর মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৌসুমী শ্রমিক মো. মহিদুল ইসলাম। পরে এ ঘটনার তদন্তে বাংলাদেশ চিনি শিল্প ও খাদ্য কর্পোরেশনের সচিব আনোয়ার কবিরকে প্রধান করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তৎকালীন দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোশারেফ হোসেন, কেরু শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, শ্রমিক আব্দুল মান্নান, অভিযোগকারী মো. মহিদুল ইসলামসহ অনেকের কাছে লিখিতভাবে চিঠি প্রদান করেছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের সচিব আনোয়ার কবির ঘটনা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে তাদের লিখিত বক্তব্য নেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আপনাদের জানাবো।
এ নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি এসেছে তাদের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা আপনারা জানতে পারবেন।’



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী