চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গেদে বিজিবি—বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিএসএফের আহ্বানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বেলা পৌনে দুইটায় এ বৈঠক শুরু হয়ে পৌনে তিনটা পর্যন্ত চলে। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর বিপরীতে ৩২ বিএসএফ গেদে ক্যাম্পে বিএসএফের আহ্বানে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে এ সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মারুফুল আবেদীন বিজিওএম। বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কৃষ্ণনগর সেক্টর কমান্ডার ডিআইজি সঞ্জয় কুমার। এ বৈঠকে বিজিবির ১০ জন এবং বিএসএফের ১২ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
বিজিবির কর্মকর্তারা গেদে ক্যাম্পে পেঁৗছালে বিএসএফের সেক্টর কমান্ডার বিজিবি সেক্টর কমান্ডারকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এরপর গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের কনফারেন্স হলে সৌজন্য সাক্ষাতের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
বৈঠকে বিজিবি সেক্টর কমান্ডার বলেন, সীমান্ত বিষয়ক ১৫০ গজের মধ্যে যেকোনো কার্যক্রমে আমাদের বর্ডার গাইডলাইন ১৯৭৫ অনুসরণ করতে হবে এবং সীমান্ত হত্যা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে। সীমান্তে মাদক ও মানব পাচার রোধে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। তাছাড়া, যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিওপি এবং কোম্পানি পর্যায় থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন মহল পর্যন্ত আলাপচারিতা এবং সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
এসময় বিএসএফ কমান্ডার একমত পোষণ করেন। পরবর্তীতে একে অপরের মঙ্গল কামনা করে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে শান্তিপূর্ণভাবে বৈঠক শেষ হয়।
বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অধিনায়ক (৫৮ বিজিবি) লে. কর্নেল আজিজুস শহীদ, সেক্টর জিএসও টু মেজর মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা—৬ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর কাজী আসিফ আহাম্মদ প্রমুখ। বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্ট বিএম, ৬৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্ট বিপেন পান্থিরায়, ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়ান কমান্ডেন্ট সুজিত কুমার প্রমুখ।
সমীকরণ প্রতিবেদন