চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা ট্রাক ও ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শহিদ আবুল কাশেম সড়কে জেলা শ্রমিক ভবনে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. কাইজার হোসেন জোয়ার্দ্দার শিল্পী। এবারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হিসেবে মুনতাজ আলী ও পুনরায় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মামুন-অর-রশিদ নির্বাচিত হয়েছেন। নবনির্বাচিতরা গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মুনতাজ আলী। সহসভাপতি পদে দুইজন পিরু মিয়া সাইকেল প্রতীকে ৩৮৭ ও হাফিজুর রহমান শান্ত পানির বোতল প্রতীক নিয়ে ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওহিদ উদ্দীন ঘপা মাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৭০ ও লিটন শেখ হরিণ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০৭ ভোট। ছাতা প্রতীক নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৮৮ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মামুন অর রশিদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোরবান আলী ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৯ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে গামছা প্রতীক নিয়ে টিটন আলী ২৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান আরেফিন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ২৪৬ ভোট পেয়েছেন। সহ-সম্পাদক পদে দুইজন নবিন মণ্ডল মিনার প্রতীক নিয়ে ২৮২ ও শরিফুল ইসলাম ফুটবল প্রতীক নিয়ে ২৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামিউল হক চেয়ার প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২২৫।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আনোয়ার হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাতি হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মনিরুল ইসলাম মিলন বালতি প্রতীক ২৯৫ ভোট পেয়েছেন। প্রচার সম্পাদক পদে লালন বিশ্বাস মাইক প্রতীক নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সড়ক সম্পাদক পদে গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে ফরহাদ শেখ ৩৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১৩৩। কোষাধ্যক্ষ পদে মোবাইল প্রতীক নিয়ে ৩৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আল ইমরান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন খোকন কলস প্রতীক নিয়ে ২০৭ পেয়েছেন। কার্যকরী সদস্য পদে ৬ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- মো. শান্তি, মো. সোহেল শেখ, জনি শেখ, হাসিবুল ইসলাম, পারভেহ হাসান সোহাগ ও আকরাম হোসেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন