চুয়াডাঙ্গায় ‘বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজ’ স্থাপনের লক্ষ্যে ৮৫ দশমিক ৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মধ্যে চেক প্রদান করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল চারটায় চুয়াডাঙ্গা জাফরপুরে অধিগ্রহণকৃত জমির স্থানে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের হাতে চেক প্রদান করা হয়। এবার ৮ জন জমির মালিকের মধ্যে মোট ১ কোটি ৬১ লাখ ৫২ হাজার ৪১৯ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেয়া হয়েছে। চেক হস্তান্তর করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. রাসেল (রাজস্ব শাখা ও ভূমি অধিগ্রহণ শাখা)।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির সহকারী পরিচালক হায়দার আলী, নবগঠিত মাখালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ কুমার সাহাসহ মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও সাংবাদিকগণ। এদিকে, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই জমি অধিগ্রহণের চেক পেয়ে খুশি ক্ষতিগ্রস্তরা। এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ৮০ জন জমির মালিককে মোট ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৯৪ হাজার ১০৬ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে।
চেক হস্তান্তরকালে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. রাসেল বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে জেলা প্রশাসক বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হবে।’
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি কর্তৃক জেলায় বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজ স্থাপন করা হবে। যার প্রয়োজনে চুয়াডাঙ্গা জাফরপুর গ্রামে ৫৭ দশমিক ২৮ একর এবং হায়দারপুর গ্রামে ২৮ দশমিক ৪৫ একরসহ সর্বমোট ৮৫ দশকি ৭৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। এটি এ জেলার সর্ববৃহৎ অধিগ্রহণকৃত জমি। প্রকল্পে অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৫ শ জন জমির মালিককে ধাপে ধাপে ৯৪ কোটি ৪৬ লাখ ৬৫ হাজার ৩০২ টাকা প্রদান করা হচ্ছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন