মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলী মুনছুর বাবুর ব্যাংকে বেড়েছে ২৫৩৮ গুণ টাকা

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৪-২০২৪ ইং
আলী মুনছুর বাবুর ব্যাংকে বেড়েছে ২৫৩৮ গুণ টাকা

আসন্ন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন মো. আলি মুনছুর বাবু। তিনি দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের আপন ছোট ভাই। এবারের নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করনছেন। দর্শনা পুরাতন বাজার পাড়ার বাসিন্দা আলি মুনছুর বাবুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বি.কম পাশ। পাঁচ বছরের ব্যবধানে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবুর সম্পদ ও নগদ অর্থ দুটোই বেড়েছে। একইসাথে সম্পদ ও অর্থ বেড়েছে তার স্ত্রীরও।

আলি মুনছুর বাবুর নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পাঁচ বছর ধরে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এই সময়ে স্ত্রীসহ তিনি রাজধানীতে ১টিসহ ৯টি প্লটের মালিক হয়েছেন। এসব জমি ছাড়াও ৫ বছরে তাঁর ও স্ত্রীর নামে সম্পদ, ব্যাংকে জমা টাকা এবং ব্যক্তিগত আয় সবই বেড়েছে। তার নামেই ব্যাংকে জমা টাকা বেড়েছে ২ হাজার ৫৩৮ গুণ।

আলি মুনছুর বাবু ২০১৯ সালে স্থাবর সম্পদ হিসেবে স্থানীয় দক্ষিণ চাঁদপুর মৌজায় দশমিক শূন্য ২ একর কৃষি জমির ক্রয়সূত্রে ৫০ শতাংশের মালিক হিসেবে দেখিয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের হলফনামায় তার কোনো কৃষি জমি নেই বলে উল্লেখ করেছেন। অকৃষি জমির কলামে নিজের নামে ঢাকার কাটাসুরে ১টি ও নিজ এলাকায় ৪টিসহ মোট ৫টি প্লটের কথা উল্লেখ করেছেন। এই পাঁচটি প্লটের জমির অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন ১৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা। পাঁচ বছর আগে তার স্ত্রীর নামে কোনো জমি না থাকলেও এবার দামুড়হুদার লক্ষ্মীপুর মৌজায় ৫টি প্লট দেখিয়েছেন। এগুলোর অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৩২ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ২০১৯ সালে নিজের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা মাত্র ১ হাজার ৯৩ টাকা দেখানো হলেও এবার দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৭৩ হাজার ৭৭৪ টাকা। সে হিসাবে পাঁচ বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আলি মুনছুর বাবুর জমা বেড়েছে ২ হাজার ৫৩৮ গুণ। একই কলামে আগের নির্বাচনে স্ত্রীর নামে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৫৪৫ টাকা দেখানো হয়েছে। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ লাখ ৫০ হাজার ৯২২ টাকা। অর্থাৎ পাঁচ বছরে বেড়েছে প্রায় ২৮ গুণ।

আলি মুনছুর বাবু ২০১৯ সালে বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং এবার দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৫ টাকা। এছাড়া, উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্মানী ভাতার ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭৫ টাকা ও ব্যাংক সুদ ২৭ হাজার ৪৪৯ টাকা বার্ষিক আয় হিসেবে যোগ হয়েছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী