মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন ধরে মাঝারি ধরনের তাপদাহ অব্যাহত

  • আপলোড তারিখঃ ০৫-০৪-২০২৪ ইং
চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন ধরে মাঝারি ধরনের তাপদাহ অব্যাহত

চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন ধরে মাঝারি ধরনের তাপদাহ অব্যাহত রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় দিনে ও রাতে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হাঁসফাঁস অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস বলছে, বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমবে না। গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৫ শতাংশ। এদিকে, রোদের প্রখরতা ও তীব্র গরমে জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, পহেলা এপ্রিল সোমবার চুয়াডাঙ্গা জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্র রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই ছিল চলতি মৌসুমে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। পরদিন মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) তাপমাত্রা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বুধবার (৩ এপ্রিল) পুনরায় তাপমাত্রার পারদ ওঠে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটায় এ জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৫ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, সূর্যের প্রখরতা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থার পরিবর্তন হবে না। আর খুব নিকটে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও তেমন নেই। তাই জেলার ওপর দিয়ে চলমান এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, টানা তাপদাহের কারণে জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে। বেশি সমস্যায় পড়েছেন নিম্ন শ্রেণির খেটে-খাওয়া মানুষ। তারা এ ভ্যাপসা গরমে কাজ করতে পারছেন না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে সূর্যের প্রখরতা ও ভ্যাপসা গরম। খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ খুব একটা বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে দুপুরের পর থেকে সড়কগুলো এক প্রকার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা শহরের শান্তিপাড়ার রিকশাচালক খোদা বলেন, ‘যখন প্যাডেল মেরে রিকশা চালিয়েছি, তখনো এতো কষ্ট হয়নি। সামনে আর কদিন বাদে ঈদ। তবে গরমে মানুষ রাস্তায় কম বের হচ্ছে। এ জন্য আমাদের ভাড়া হচ্ছে না। ছেলে-মেয় নিয়ে কষ্টে আছি।’

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কৃষক আবু জাফর বলেন, তীব্র রোদের কারণে তাদের মাঠে কাজ করতে খুব কষ্ট হচ্ছে। গরম থেকে বাঁচতে তারা খুব ভোরে মাঠে যাচ্ছেন, যাতে সূর্যের তেজ শুরু হওয়ার আগেই কাজ শেষ করতে পারেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী