মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জনদুর্ভোগ বাড়লেও ফসলের জন্য আশির্বাদ এনেছে বৃষ্টি

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৩-২০২৪ ইং
জনদুর্ভোগ বাড়লেও ফসলের জন্য আশির্বাদ এনেছে বৃষ্টি

চুয়াডাঙ্গায় চৈত্রের প্রথম সপ্তাহে দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হয়েছে। গতকাল বুধবার ভোর তিনটা থেকে শুরু হওয়া এ বৃষ্টি রাত পর্যন্ত অব্যহত ছিল। আকাশ মেঘে ঢেকে ছিল, সারাদিনে দেখা মেলেনি সূর্যের। থেমে থেমে এ বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। তবে চৈত্রের এই বৃষ্টিতে মাঠের ফসলের উপকার হয়েছে। বৃষ্টিতে বোরো ধান, পাট ও আম চাষিরা দারুণ খুশি। এছাড়া রমজান মাসের কয়েকদিন গরমের পর এ বৃষ্টি যেন জনজীবনে স্বস্তি এনে দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার ভোর তিনটা থেকে এ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এসময় সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আর রাত ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৯ মিলিমিটার। বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, চৈত্রের খরতাপে যখন কৃষককূল ভোগান্তিতে পড়ে যায়। ঠিক তখন এমন বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তির সঙ্গে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ফসলের মাঠ। বৃষ্টিতে আমচাষীরা দারুণ খুশি। এছাড়াও সেচনির্ভর বোরো ধান, পাট খেত, মরিচ খেত, ভুট্টা খেতসহ পুঁইশাক ও ডাঁটা শাক, ঢেঁড়স, রেখা, ঝিঙ্গা, শশা ও করলার খেতের জন্য এই বৃষ্টি বিশেষ উপকার বয়ে এনেছে।

চুয়াডাঙ্গা বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রীষ্মের দাবদাহে ফসলের খেত ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। এখন বৃষ্টির পানি পেয়ে সে সব খেতে প্রাণ ফিরে এসেছে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে বৃষ্টি হয়েছে, তা চাষীদের জন্য বিশেষ উপকার বয়ে আনবে। আলমডাঙ্গার ডাউকী এলাকার কৃষক আশাদুল ইসলাম বলেন, চৈত্রের খরতাপে বোরো ধানের খেত শুকিয়ে ফাটল দেখা দিয়েছিল। এখন এই বৃষ্টিতে কিছুটা হলেও চাষের জন্য কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসবে।

এদিকে, দিনের শুরুতেই বৃষ্টিপাত বাগড়া দেয় শ্রমজীবী মানুষের। তারা সময়মতো কাজে যেতে পারেননি। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এ বৃষ্টিতে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে কয়েকদিনের গরমের পর এমন বৃষ্টি স্বস্তি এনে দিয়েছে রোজাদারদের।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, আজ বৃহস্পতিবার থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সকালের দিকে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। দুপুর ১২টার দিকে সূর্যের দেখা মিলতে পারে। তবে আগামী তিন দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী শনিবার নাগাদ এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এরপর আর তেমন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী