সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস পালন

  • আপলোড তারিখঃ ০৭-১২-২০২৩ ইং
ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস পালন

ঝিনাইদহ অফিস/প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ:

বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বুধবার দিবসটি পালনের লক্ষে সকালে বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ঝিনাইদহ পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে শুরু হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জিয়াউর রহমান আইন কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মশিয়ূর রহমান, ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র শাহরিয়ার জাহেদী হিজল, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য দেন।

জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত হয়। বাংলার আকাশে ওড়ে লাল-সবুজের স্বাধীন পতাকা। চালু হয় ঝিনাইদহে অসামরিক প্রশাসন। স্বাধীনতা যুদ্ধে জেলায় প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালীতে। এছাড়া শৈলকুপা থানা আক্রমণ, কামান্না, আলফাপুর ও আবাইপুরের যুদ্ধ আজও স্মৃতিতে অম্লান। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই গৌরবের দিনগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

বক্তারা বলেন, বিষয়খালী বেগবতী নদীর তীরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল বাধার সম্মুখিন হয় পাক বাহিনী। ৬ ঘণ্টার যুদ্ধে ৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ব্রিজের পাশেই তাদের গণকবর দেওয়া হয়। এ থেকেই জেলায় ছড়িয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধ। বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। সে সময় উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের মধ্যে ছিল বিষয়খালী যুদ্ধ, গাড়াগঞ্জ যুদ্ধ, শৈলকুপা থানা আক্রমণ, কামান্না, আলফাপুর ও আবাইপুরের যুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিষয়খালী যুদ্ধে ৩৫ জন, ১৪ অক্টোবর আবাইপুর যুদ্ধে ৪১ জন ও ২৬ নভেম্বর কামান্না যুদ্ধে ২৭ জনসহ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলায় ২৭৬ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ হন।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী