আলমডাঙ্গায় গণডাকাতির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
- আপলোড তারিখঃ
১১-০৬-২০২৩
ইং
আলমডাঙ্গা অফিস:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় গণডাকাতির মামলায় ৩ ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় গ্রেপ্তারকৃতদের নিকট থেকে দুটি হাসুয়া, একটি দা, একটি স্বয়ংক্রিয় ডিজেল চালিত করাত (চেইন ‘স’) ও লুট করা ২৫ হাজার ৩৪২ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আলমডাঙ্গার সাল নওদা বণ্ডবিল গ্রামের মন্টু আলীর ছেলে মোহাম্মদ সজীব হোসেন ফজা (২৩), বেলগাছি গ্রামের শহিদুলের ছেলে সোহেল (২২) ও ফরিদপুর গ্রামের বাবুল শেখের ছেলে রনি (২০)।
গতকাল শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে আলমডাঙ্গার বণ্ডবিল গেটে সড়কে গাছ ফেলে পূর্বাশা পরিবহণ ও নদীয়া ডিলাক্সের দুটি যাত্রীবাহী বাসে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাসযাত্রীদের কাছ থেকে ৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা লুট করে নেয় ডাকাত দল। এ ঘটনার পর অভিযানে নামে পুলিশের একাধিক দল। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ এবং ডাকাত দলের তথ্য সংগ্রহ করে প্রথমে নিজ বাড়ি থেকে রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি দা উদ্ধার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় সজীব হোসেন ফজা ও সোহেলকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি হাসুয়া, একটি ডিজেল চালিত স্বয়ংক্রিয় করাত ও লুট করা ২৫ হাজার ৩৪২ টাকা।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে সজীব হোসেনের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন থানায় অন্তত ১০টি মামলা আছে। এছাড়া গতরাতের ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আরও ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. একরামুল হোসাইন, এসআই (নি.) শেখ হাদীউজ্জামান, এএসআই (নি.) মো. মোস্তফা কামাল, এএসআই (নি.) মো. রাসেল তালুকদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। সংবাদ সম্মেলনের সময় আভিযানিক দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কমেন্ট বক্স