সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাফল্য

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৪-২০২৩ ইং
পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাফল্য
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছয় ছাত্র বাংলাদেশ কাওমী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৪৬তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা-২০২৩ এ অংশগ্রহণ করে সাফল্য দেখিয়েছে। সারা দেশের মধ্যে সেরাদের তালিকায় হিফজ বিভাগে দুই ছাত্র ২য় ও ৩য় স্থান এবং জামাত বিভাগের চার ছাত্র ৩৩তম, ৬০তম, ৬৭তম ও ৭০তম স্থান অর্জন করেছেন। পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার ওই চার ছাত্র হলো- হিফজ বিভাগে ২য় স্থান অর্জনকারী মো. হাসান ও ৩য় স্থান অর্জনকারী মো. আবু সাদিক। জামাত বিভাগে ৩৩তম মো. ইয়াসিন আরাদাত, ৬০ তম মো. ইসমাইল হোসেন, ৬৭ তম মো. ইমাম হাসান ও ৭০ তম মো. শাহরিয়ার রহমান। জানা যায়, বাংলাদেশ কাওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৪৬তম ইবতিদাইয়্যাহ-২০২৩ অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় চুয়াডাঙ্গা পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার ৩৯ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ এপ্রিল জুন ৪৬তম পরীক্ষার ফলাফল হাতে পায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। ৩৯ জন ছাত্রের মধ্যে ১৫ জন কৃতীত্বের সঙ্গে এ+ পেয়েছে। এর মধ্যে সারা দেশের মেধা তালিকায় ২য়, ৩য়, ৩৩তম, ৬০ তম, ৬৭তম ও ৭০ তম স্থান অর্জন করে নেয় ছয়জন ছাত্র। এদিকে, সারা দেশের মধ্যে সেরা সাফল্য অর্জন করায় মাদ্রাসার দুই কৃতী শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসাটির পরিচালক সাহিদ গ্রুপের চেয়ারম্যান, এনআরবি ওয়ার্ল্ড ও বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুর (বিডিচ্যাম)-এর প্রেসিডেন্ট সাহিদুজ্জামান টরিক। উল্লেখ্য, একটি সুন্দর দ্বীনি-শিক্ষার ভাবনা নিয়ে মৃত হাজি শামসুজ্জোহা বিশ্বাস ২০০১ সালে মাত্র ১৩ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক নিয়ে একটি চালা ঘরে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের পাঁচকমলাপুর গ্রামে ‘পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা’ নামে দ্বীনি-শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১০ সালে হাজি শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের মৃত্যুর পর এই মাদ্রাসাটির পরিচালনার দায়িত্ব নেন তাঁরই পুত্র চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক। একজন সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে পিতার স্বপ্নকে আন্তরিকতা, ভালোবাসা, মেধা ও শ্রম দিয়ে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মাদ্রাসাটিতে ছাত্রদের জন্য লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। যেখানে তিন বেলা মাদ্রাসার সকল ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। বহুল ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিননন্দন পাঁচতলা একাডেমিক ভবন। এই ভবনে একসঙ্গে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান ও আবাসনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। খোলামেলা ও মনোরম পরিবেশে দৃশ্যমান এ মাদ্রাসাটির সুবিশাল খেলার মাঠসহ লাল সিরামিক ইট ও নান্দনিক ব্লকের গাঁথুনী নজর কাড়বে সবার। পাঠদান, থাকা ও খাওয়ার সুযোগ সুবিধাসহ আধুনিক এই মাদ্রাসাটি ইতিমধ্যেই সমাদৃত হচ্ছে সারা দেশব্যাপী।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী