সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দেশে সোয়া ৩ কোটির বেশি মানুষ দরিদ্র

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০৪-২০২৩ ইং
দেশে সোয়া ৩ কোটির বেশি মানুষ দরিদ্র
সমীকরণ প্রতিবেদন: দেশে দারিদ্র্যের হার কমলেও গ্রামে দরিদ্রের হার বেশি। এই হার দারিদ্র্যের ১৮.৭ শতাংশ, যা ২০১৬ সালের জরিপ অনুযায়ী অফিসিয়াল দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস। জরিপ বলছে, দেশে বর্তমানে (২০২২) একটি পরিবারের মাসে গড় খরচ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। ২০১৬ সালে যা ছিল ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ফলে ৬ বছরের ব্যবধানে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের নেয়া নানা কর্মসূচির কারণে দেশে দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের হার কমেছে। গতকাল আগারগাঁওস্থ বিবিএস অডিটোরিয়ামে খানা আয় ও ব্যয় জরিপের তথ্য প্রকাশের সময় এসব তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদন তুলে ধরেন, প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন, সদস্য জিইডি ড. মো: কাউছার আহমেদ, ডিজি বিবিএস মো: মতিউর রহমান প্রমুখ। বিবিএসের জরিপে বলা হয়, ২০২২ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ, যা পল্লীতে ২০.৫ শতাংশ ও ১৪.৭ শতাংশ শহরে। অন্য দিকে অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ, যা পল্লী এলাকায় ৬.৫ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ৩.৮ শতাংশ। ২০১০ সালের জরিপ অনুযায়ী অফিসিয়াল দারিদ্র্যের হার ছিল ৩১.৫ শতাংশ। এ থেকে পরিলক্ষিত হয় যে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। বৈষম্য : ২০২২ সালের জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, আয়ের জন্য গিনি সহগের মান ০.৪৯৯, যা ২০১৬ সালে ছিল ০.৪৮২ এবং ২০১০ সালে ছিল ০.৪৫৮। অন্য দিকে, ২০২২ সালে ভোগব্যয়ের জন্য গিনি সহগের মান ০.৩৩৪, যা ২০১৬ সালে ছিল ০.৩২৪ এবং ২০১০ সালে ছিল ০.৩২১। জরিপ বলছে, প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থায় খানার অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১৪.১ শতাংশ খানার অন্তত ০১ জন সদস্যের জরিপ পূর্ববর্তী ১২ মাসে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, যা ২০১৬ সাল ৭.৫% ও ২০১০ সাল ৭.৪%। এর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ২০২২ সালে পরিচালিত খানার আয় ও ব্যয় জরিপে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী খানার শতকরা হার ৯৯.৩২ শতাংশ। বর্তমানে দেশে বিদ্যুতায়নের হার প্রায় শতভাগ। একইভাবে ৯২.২১% খানা উন্নত টয়লেট সুবিধার আওতাধীন এবং ৯৬.১% খানায় নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়েছে। আর বর্তমানে বাংলাদেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের সাক্ষরতার হার ৭৪ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে ছিল ৬৫.৬ শতাংশ। জরিপে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের আলোক, দেশে বর্তমানে (২০২২) থানার গড় মাসিক ব্যয় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা, যা ২০১৬ সালে ছিল ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ক্যালরি গ্রহণ : তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, খানার খাদ্যপণ্য ক্রয় সংক্রান্ত ব্যয়ের তুলনায় খাদ্যদ্রব্যবহির্ভূত ভোগ্যপণ্য সম্পর্কিত ব্যয় ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে জনপ্রতি ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ দৈনিক ২৩৯৩ কিলোক্যালরি, যা ২০১৬ সালে ছিল ২২১০.৪ কিলোক্যালরি এবং ২০১০ সালে ছিল ২৩১৮.৩ কিলোক্যালরি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী