সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

সরকারি ঘর চান প্রতিবন্ধী দম্পতি!

  • আপলোড তারিখঃ ১১-০৩-২০২৩ ইং
সরকারি ঘর চান প্রতিবন্ধী দম্পতি!
প্রতিবেদক, কার্পাসডাঙ্গা: দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ার দম্পতি আশরাফুল ইসলাম ও হাবিবা খাতু শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। তাদের দুই বেলা দু-মুঠো খাবার জুটলেও নেই মাথাগোঁজার ঠাই। তাই এই দম্পতি মাথাগোঁজার ঠাই হিসেবে চান সরকারি ঘর। এ জন্য তারা ঘুরছে বিভিন্ন সরকারি অফিসে। এদিকে অসহায়ত্বের খবর জানতে পেরে এই দম্পতির দায়িত্ব নিয়েছেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস। জানা গেছে, মানসিক প্রতিবন্ধী আশরাফুল ইসলামের বাবা-মা নেই। মাস দেড়েক আগে তিনি উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে হাবিবা খাতুনকে বিয়ে করেন। তারা কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম কাছে থাকে। গত মঙ্গলবার আশরাফুল তার স্ত্রীর জন্য প্রতিবন্ধী ভাতার সুবিধা এবং তাদের জন্য সরকারি ঘর চায়তে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাসের কাছে যান। এসময় চেয়ারম্যান তাদের অসহায়তের¡ কথা জানতে পেরে খাওয়া-দাওয়া ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। আর সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। ভূমিহীনপাড়ার মসজিদের মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ছেলেটি পাগল। সে কোনো কাজ করতে পারে না। তাদের কষ্টের শেষ নেয়। তার ছোট ভাই শ্রমিকের কাজ করে। কোনো রকম খাবার জোটে তাদের।’ কার্পাসডাঙ্গা ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস বলেন, ‘এই প্রতিবন্ধী দম্পতি আমার কাছে আসলে, তাদের অসহায়ত্বের কথা শুনে খাওয়া-দাওয়া ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর ফাঁকা পড়ে আছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারে সাথে এ বিষয়ে কথা বলব।’ দামুড়হুদা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তোফাজ্জেল হক বলেন, ‘ছেলেটি প্রতিবন্ধী ভাতা পান। কিন্তু তার স্ত্রী হাবিবা খাতুন কোন আবেদন করেনি। তবে তাকে প্রতিবন্ধী মনে হচ্ছে না। তার বয়স খুবই কম। সে শিশু। প্রতিবন্ধী হলে সে অবশ্যই ভাতা পাবে।’


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী