ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় কলেজের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ এস এম এনায়েতুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান বাবু।
তিনি বলেন, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সদ্য প্রকাশিত ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। সেখানে জীবননগর উপজেলার চারটি কলেজের মধ্যে ৭৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ পাসের হার নিয়ে আন্দুলবাড়ীয়া কলেজ শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে জেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে কলেজটি রেকর্ড গড়েছে।
তিনি আরও বলেন, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ফলে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। সবার সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনেও ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এস এম এনায়েতুল হক কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মানিত সদস্য ও অভিভাবক সদস্যদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আন্দুলবাড়ীয়া কলেজ ক্যাম্পাসে মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। আগামীতে ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের মাধ্যমে কলেজটি হ্যাটট্রিক অর্জনের স্বপ্ন দেখছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য দেন কলেজ পরিচালনা এডহক কমিটির সদস্যসচিব ও অধ্যক্ষ এস এম এনায়েতুল হক। এছাড়া বক্তব্য দেন শিক্ষক প্রতিনিধি ও জীববিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক হাসানুজ্জামান খান (পলাশ), অভিভাবক সদস্য মোল্লা মনিরুজ্জামান (সুজন), সাবেক শিক্ষক প্রতিনিধি ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এমাজ উদ্দীন আহমেদ (মিল্টন), অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক বাবুল হোসেন (মুকুল) এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক আবুল খায়ির।
আমন্ত্রিত অভিভাবকদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন হীরা খাতুন, সুরাইয়া খাতুন ও বাবুল হোসেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন প্রথম বর্ষের ছাত্রী বর্ণ ভৌমিক এবং দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহানা খাতুন, জবা ও মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। অনুষ্ঠান প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আলমগীর কবির। শেষে কলেজের শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক আবুল খায়ির।
