ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা-পুলিশের পৃথক মাদক বিরোধী অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি নম্বরবিহীন সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার চারজনকে সামারি ট্রায়ালের জন্য কোর্টে পাঠানো হলে আদালত প্রত্যেককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআই মো. ইকরামুল হকের নেতৃত্বে সদর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামের জাফরপুর চৌরাস্তার বটতলা এলাকায় অভিযান চালায়।
এসময় জাফরপুর ঈদগাহপাড়ার জিনারুল ইসলাম (৪০) এবং হানুরবাড়াদি কাজিপাড়ার আব্বাস উদ্দিন (৪৫) ও আকাশ আলীকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিনারুল ইসলামের দেহ তল্লাশি করে পলিথিনে মোড়ানো ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ হাজার ২০০ টাকা।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্বাস উদ্দিন ও আকাশ আলী মোটরসাইকেলে করে জিনারুল ইসলামের কাছ থেকে ইয়াবা কিনতে এসেছিলেন বলে স্বীকার করেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি নম্বরবিহীন সুজুকি জিক্সার-১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ১০(ক), ৩৮ ও ৪১ ধারায় সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। আদালত প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
অন্যদিকে, এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে সদর থানা পুলিশের অপর একটি দল দৌলতদিয়ার দক্ষিণপাড়ায় অভিযান চালায়। এ সময় নিজ বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন মন্টু (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, মাদক সেবনের পর তিনি পুলিশের সামনে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন।
পরে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
