ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক বিএনপি নেতার এক বিঘা জমির ফলন্ত চায়না লেবু ও পেয়ারা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক বাবুল হোসেন ওরফে বাবলুকে আটক করেন গ্রামবাসী। পরে স্থানীয় গ্রাম্য সালিশে তাঁকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত রোববার দিবাগত গভীর রাতে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের কর্চাডাঙ্গা মহাশ্মশান মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, কর্চাডাঙ্গা গ্রামের জোলপাড়ার হাজী তছের আলীর বাড়ির পাশে মহাশ্মশান মাঠে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফসলের চাষ করে আসছেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তাঁর এক বিঘা জমিতে চায়না লেবু, পেয়ারা ও বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়। বাগানের গাছগুলোর বয়স প্রায় দুই বছর।
অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে একই গ্রামের রহমত আলী মিস্ত্রির বড় ছেলে পল্লী চিকিৎসক বাবুল হোসেন ওরফে বাবলু ওই জমির ফলন্ত চায়না লেবু ও পেয়ারা গাছ কেটে ফেলেন। এতে বাগানটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
গ্রামবাসীর দাবি, ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতা ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বাবলুকে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাঁকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবলু হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
