জীবননগর মাধবখালী ছটাঙ্গা পাড়ার মাঠে জমি নিয়ে বিরোধ

পাল্টাপাল্টি জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ দুই পক্ষের

আপলোড তারিখঃ 2026-10-15 ইং
জীবননগর মাধবখালী ছটাঙ্গা পাড়ার মাঠে জমি নিয়ে বিরোধ ছবির ক্যাপশন:

জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী মাধবখালী গ্রামের ছটাঙ্গা পাড়ার মাঠে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে মাল্টা ও কলাগাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাজন নামের এক ব্যক্তি একই গ্রামের আব্দুল খালেক গাজী ও তাঁর ছেলে হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি দখলচেষ্টা এবং জমিতে গেলে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল খালেক ও তাঁর ছেলে দাবি করেছেন, জমিটি তাঁরা কিনেছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। বিরোধের জেরে আদালতে একটি দেওয়ানি মামলাও চলমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা তিনটি মাল্টাগাছ ও কলাগাছ কেটে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর জমির মালিকানা দাবি করে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন আব্দুল খালেক গাজী ও রাজন।


রাজন অভিযোগ করে বলেন, আব্দুল খালেক তাঁর বড় চাচা ফজলুর রহমানের কাছ থেকে আটটি দাগে মোট ১৮ শতক জমি কিনেছেন। ওই জমিতে তাঁর বাবা, চাচা ও ফুফুরাও অংশীদার। আগে জমির শরিকদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বণ্টন না থাকলেও বর্তমানে জমি ভাগ করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। রাজনের ভাষ্য, আব্দুল খালেক আটটি দাগের জমি না নিয়ে একটি দাগের জমি দখল করে চাষাবাদ করছেন। বড় চাচার অংশের জমি রেখে অন্য শরিকদের জমি ছেড়ে দিতে বলা হলেও তাঁরা তা মানছেন না।


রাজন আরও বলেন, তিনি জমিটি তাঁর মামাতো ভাই ও একই গ্রামের বাসিন্দা মুক্তারের কাছে লিজ দিয়েছেন। মুক্তার ওই জমিতে শাকসবজি চাষের পাশাপাশি কলাগাছ লাগিয়েছেন। অন্যদিকে, মাল্টাগাছগুলো আব্দুল খালেক গাজীই লাগিয়েছিলেন। গাছগুলোর পরিচর্যার খরচ বাবদ টাকা নিয়ে নিতে তাঁদের বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা নেননি। প্রায় এক বছর ধরে আমরাই মাল্টাগাছগুলো সার দিয়ে পরিচর্যা করেছি। এখন তাঁরা মাল্টা ও কলাগাছ কেটে দিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন।


জমির কাগজপত্র নিজেদের নামে খারিজ করা রয়েছে দাবি করে রাজন বলেন, এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। আদালত যে রায় দেবেন, তাঁরা তা মেনে নেবেন।


অন্যদিকে, আব্দুল খালেক গাজী ও তাঁর ছেলে হাফিজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রায় ১৮ বছর আগে মাধবখালী গ্রামের ফজলুর রহমানের কাছ থেকে আব্দুল খালেক তাঁর স্ত্রীর নামে ১৮ শতক জমি কেনেন। এরপর থেকে তাঁরা ওই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করে আসছেন। তাঁদের দাবি, প্রায় এক বছর ধরে রাজন ও মুক্তার ওই জমির মালিকানা দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন। এসময় জমিতে থাকা ফসলেরও ক্ষতি করা হচ্ছে। এ নিয়ে আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)