ছবির ক্যাপশন:
সালিকিন মিয়া সাগর:
দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন সড়কে স্থাপন করা সোলার লাইটের অধিকাংশই এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কোথাও বাতি জ্বলছে না, কোথাও সোলার প্যানেল নেই, আবার কোথাও পুরো লাইটই উধাও। ফলে সন্ধ্যার পর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে আবারও নেমে আসছে অন্ধকার। দামুড়হুদা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের চিত্র প্রায় একই। সন্ধ্যার পর এসব সড়কের অনেক অংশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও বাড়ছে ঝুঁকি।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কে আলো থাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ কমাতে এসব লাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। রাতে সাধারণ মানুষও অনেকটা নির্ভয়ে চলাচল করতে পারতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা সোলার লাইটগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। অনেক লাইটের সোলার প্যানেল চুরি হয়ে গেছে। কোথাও প্যানেলসহ বাতি নেই, আবার কোথাও খুঁটি থাকলেও বাতি জ্বলে না। কোনো কোনো স্থানে পুরো সোলার লাইট ব্যবস্থাই উধাও হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশিরভাগ লাইট সামান্য মেরামত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করলেই পুনরায় সচল করা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সেগুলো সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে, সোলার লাইটগুলো স্থাপনের পর এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের দায়িত্ব আসলে কোন দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। এলাকাবাসীর দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি স্পষ্ট করে দ্রুত অকেজো লাইটগুলোর তালিকা তৈরি করে সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, শুধু পুরোনো লাইট সংস্কার করলেই হবে না; যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাইট নষ্ট বা চুরি হয়ে গেছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে নতুন করে সোলার লাইট স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি স্থাপিত লাইটগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে অকেজো সোলার লাইটগুলো সচল করবে। এতে রাতের অন্ধকার দূর হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল আরও নিরাপদ হবে।
