এনজিও ঋণের জামিনদার হয়ে মামলার আসামি

হাসাদাহে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আপলোড তারিখঃ 2026-09-23 ইং
এনজিও ঋণের জামিনদার হয়ে মামলার আসামি ছবির ক্যাপশন:

জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নের কাটাপোল গ্রামে প্রতিবেশীর নেওয়া এনজিও ঋণের জামিনদার হয়ে মামলার আসামি হয়েছেন মতিয়ার রহমান (৩৫) নামে এক দিনমজুর। মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে হাসাদাহ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিজের অভিযোগ তুলে ধরেন মতিয়ার রহমান। তিনি কাটাপোল গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে।


লিখিত বক্তব্যে মতিয়ার রহমান বলেন, একই এলাকার আমিন মাস্টারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে লাল্টু ২০২৪ সালে জীবননগরের এসডিসি এনজিও থেকে তার স্ত্রী শেফালী খাতুনের নামে ৬ লাখ টাকা ঋণ নেন। প্রতিবেশী হিসেবে এনজিওর ম্যানেজার ও লাল্টুর অনুরোধে তিনি ওই ঋণের জামিনদার হন।


মতিয়ার বলেন, জামিনদার হওয়ার পর ঋণের বিষয়ে তিনি আর কোনো খোঁজখবর রাখেননি। হঠাৎ ২০২৫ সালে ফরিদপুর আমলি আদালত থেকে একটি নোটিশ পান। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় জামিনদার হিসেবে তার বিরুদ্ধে ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ মামলা করা হয়েছে।


পরে বিষয়টি জানতে এসডিসি এনজিওর ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, লাল্টু ঋণের টাকা সময়মতো পরিশোধ না করে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। এ কারণে জামিনদার হিসেবে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে মতিয়ার রহমানের দাবি, ঋণগ্রহীতা মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে লাল্টু কখনো বাড়ি থেকে পালিয়ে যাননি। তিনি বাড়িতেই ছিলেন এবং বর্তমানে সেখানেই বসবাস করছেন।


মতিয়ার অভিযোগ করেন, ‘লাল্টু বাড়িতে থাকা অবস্থায় আমার নামে কেন মামলা করা হলো, তা বুঝতে পারছি না। আমার ধারণা, এনজিওর ম্যানেজার ও লাল্টু যোগসাজশ করে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, মামলাটি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য এনজিও কর্তৃপক্ষ ও লাল্টুর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তার কথায় কোনো গুরুত্ব দেননি। ফলে তাকে প্রতি মাসে একবার করে ফরিদপুর আদালতে গিয়ে হাজিরা দিতে হচ্ছে।


মতিয়ার বলেন, ‘আমি একজন খেটে খাওয়া দিনমজুর। অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে সংসার চালাই। মামলা পরিচালনা ও ফরিদপুরে যাতায়াতের খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য আমার নেই। আমি এই হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।’ তিনি দাবি করেন, ঋণগ্রহীতা মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী শেফালী খাতুন বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও তাদের পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সঠিক তদন্ত করে ন্যায়বিচার এবং মামলা থেকে পরিত্রাণের দাবি জানান তিনি। তবে এ বিষয়ে এনজিও কর্তৃপক্ষ বা ঋণগ্রহীতা মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী শেফালী খাতুনের বক্তব্য জানা যায়নি।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)