ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের ফুলবাড়ির মাঠে একটি হাঁসের খামারে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। মুখোশধারী ৮ থেকে ৯ জনের একটি দল অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে খামারি ও কর্মচারীদের হাত-পা বেধে ৫১৫টি হাঁস নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খামারির দাবি, লুট হওয়া হাঁসগুলোর বাজারমূল্য সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ফুলবাড়ির মাঠের ওই হাঁসের খামারে এ ঘটনা ঘটে।
খামারি কাশেম পরামানিক পাবনা জেলার বাসিন্দা মৃত হবি পরামানিকের ছেলে। তিনি জানান, স্থানীয় ছামাদ হোসেনের মাধ্যমে ফুলবাড়ির মাঠে হাঁসের খামার গড়ে তোলেন তিনি। বর্তমানে খামারে প্রায় ১ হাজার ৩৫০টি হাঁস ছিল। কাশেম পরামানিক বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রাতে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। রাত আড়াইটার দিকে ৮ থেকে ৯ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। হত্যার হুমকি দিয়ে আমাদের হাত-পা বেধে ফেলে। এরপর বস্তায় করে হাঁসগুলো মিনি পিকআপে তুলতে থাকে। এমনকি আমাকে দিয়েও হাঁস বস্তায় ভরে গাড়িতে তুলিয়েছে। পরে তারা ৫১৫টি হাঁস নিয়ে পালিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘লুট হওয়া হাঁসগুলোর বাজারমূল্য সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
খামারের কর্মচারী রাসেল শেখ বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো হাঁস চরিয়ে রাতে খাবার খেয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ ৮ থেকে ৯ জন মুখোশধারী অস্ত্রধারী ব্যক্তি আমাদের ওপর হামলা করে। পরে হাত-পা বেধে খামারের হাঁসগুলো নিয়ে যায়। আমরা বাইরের মানুষ। এ ঘটনায় আমরা খুবই আতঙ্কিত।’
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, ‘রাতে একটি ফার্ম থেকে কে বা কারা হাঁস নিয়ে গেছে- এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।’
এদিকে, গভীর রাতে খামারে ঢ়ুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হাঁস নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় খামারি ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
