ছবির ক্যাপশন:
সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ ছাড়া বেআইনিভাবে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে। প্রাক-নির্বাচনী (প্রি-টেস্ট) পরীক্ষার অজুহাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জোরপূর্বক ৫০০ টাকা করে আদায় করা হলেও কাউকেই কোনো বৈধ ক্যাশ মেমো বা রশিদ দেওয়া হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়ে বলেন, ‘দেশের অন্য কোনো সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটে এই ধরনের কোনো অতিরিক্ত ফি নেওয়ার নিয়ম নেই। অথচ চুয়াডাঙ্গায় ইনচার্জ নিজের ইচ্ছেমতো শিক্ষার্থীদের চাপ দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।’ সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভর্তির সময়ও তাঁদের কাছ থেকে একইভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছিল। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মই নয়, নার্সিং ডরমেটরির কেনাকাটা ও বাজারকরণের মতো বিষয়গুলোও ইনচার্জের স্বামী এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও সরকারি চাকরির বিধিমালা পরিপন্থী। লাগাতার এসব অনিয়ম সত্ত্বেও অদৃশ্য শক্তির বলে ইনচার্জ পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ তাঁদের।
অর্থ আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, রশিদ বই না থাকায় ক্যাশ মেমো ছাড়াই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি নেওয়া হয়েছে। তবে সংগৃহীত অর্থের যাবতীয় নথিপত্র রয়েছে দাবি করলেও তাৎক্ষণিকভাবে তা দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি। নথিপত্র সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা ছুটিতে আছেন অজুহাত দিয়ে চার দিন পর যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি। এমনকি বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উক্ত শিক্ষিকার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, অনুমতি ছাড়া তাঁর নম্বর দিতেও তিনি অস্বীকৃতি জানান।
