ছবির ক্যাপশন:
জামায়াত-এনসিপির আগামী সেপ্টেম্বরের চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ মূলত রাজপথে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ সুগম করার একটি কৌশল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘এই ধরনের কোনো অপচেষ্টা দেশের জনগণ কখনো মেনে নেবে না।’ গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক সংবর্ধনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
বিএনপি সরকারের আচরণ নিয়ে জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপি বর্তমানে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের যে পরিকল্পনা করছে, তা কোনোদিন সফল হবে না। দীর্ঘ ১৭ বছর কার্যালয় খুলতে না পারা দলটি এখন সংসদের সরকারি দলের মতো সুবিধা চাওয়া সত্ত্বেও অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁতারা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংসদের সাম্প্রতিক ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে ১১ দলীয় জোট হট্টগোল সৃষ্টি করেছে। গুম কমিশন নিয়ে তারা একদিকে বিচার চাচ্ছে, অন্যদিকে সালাহউদ্দিন আহমেদের গুমের ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালাচ্ছে- যা জামায়াতের দ্বিমুখী রাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ।
এনসিপির বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াতের জোটে গিয়ে এনসিপি নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়েছে। এই দুই দল মিলে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁতারা করলে ‘বাংলাদেশপন্থী’ জনগণ তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান, মুন্সি কামাল আজাদ পান্নুসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
