ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলায় একই দিনে পৃথক স্থান থেকে দুটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি মোটরসাইকেল বসতবাড়ির ভেতর থেকে এবং অন্যটি সড়কের পাশ থেকে চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দামুড়হুদা থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই সাইকেল, মোটরসাইকেল, পাখিভ্যান ও গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। এসব ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
জানা গেছে, গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার মোক্তারপুর-কার্পাসডাঙ্গা সড়কের বোস ব্রিকসের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। মোক্তারপুর নতুনপাড়ার আতিয়ার রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ তাঁর কালো-লাল রঙের বাজাজ পালসার মোটরসাইকেলটি সেখানে রেখে কিছু সময়ের জন্য অন্যত্র যান। ফিরে এসে তিনি মোটরসাইকেলটি দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর চুয়াডাঙ্গা-ল-১২-৪৩৫০।
অন্যদিকে, একই দিন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দামুড়হুদার দশমীপাড়ায় বসতবাড়ির ভেতর থেকে আরেকটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। মৃত হাজারি মোল্লার ছেলে লাল্টু মোল্লা তাঁর ব্যবহৃত লাল-কালো রঙের ডিসকভার-১২৫ মোটরসাইকেলটি ঘরের ভেতরে রেখে ঘুমাতে যান। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, ঘরের কাঠের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরে রাখা মোটরসাইকেলটি নেই।
পরে তাঁর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও মোটরসাইকেলটির সন্ধান পাননি। চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নেই। এর ইঞ্জিন নম্বর ঔতঢডজএ৩২৫১৭ এবং চ্যাসিস নম্বর চঝটই৪৪ইণ৭ঝঞক৩৪১৬৯। একই দিনে পৃথক দুটি স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চুরি আতঙ্ক আরও বেড়েছে। তারা বলছেন, বাড়ি কিংবা বাইরে কোথাও মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদে রাখার নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। চুরির ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবা উদ্দিন দুটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
