ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামে গোয়ালঘরের তালা কেটে একটি গাভী চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বাঘাডাঙ্গা মিশনপল্লীতে এ ঘটনা ঘটে। একই এলাকায় কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক গরু চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিবা মল্লিকের স্ত্রী ফিলু মল্লিক গরু ও ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত রোববার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তাঁর গোয়ালঘরের তালা কেটে একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায়। সকালে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির কোনো সন্ধান পাননি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফিলু মল্লিক বলেন, ‘আমার সংসারে হাল ধরার মতো কেউ নেই। কষ্ট করে একটি করে গরু লালন-পালন করে জীবিকা চালাই। চুরি হওয়া গাভীটির পেটে সাত মাসের বাচ্চা ছিল। এটাই ছিল আমার একমাত্র সম্বল। চোররা সেটিও নিয়ে গেছে।’ স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার দিবাগত রাতেও একই মিশনপল্লীর মৃত লুকাস মণ্ডলের ছেলে মানিক মণ্ডলের একটি বকনা গরু চুরি হয়েছিল। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর সেটি ইউনিয়নের সুবুলপুর মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় মিশনপল্লীর বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (আইসি) মো. সবুজ ই-উদ্দীন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। গরু চোর চক্রকে শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ চলছে।’
