ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে মাদক সেবন ও চুরির অভিযোগে আরও দুইজনকে আটক করা হয়। পরে সামারি ট্রায়াল আদালতের মাধ্যমে পাঁচ আসামিরই বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার সকল ইউনিটে একযোগে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মো. মানজারুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ বাজারে শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুজনের ওয়ালটন শোরুমের সামনে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মানিকদিহি গ্রামের মো. হৃদয় (২৬), মো. শলোক (২৩) ও মো. বাহাদুরকে (২৪) হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে একই রাতে পৃথক অভিযানে কেদারগঞ্জ সিএন্ডবি পাড়া এলাকা থেকে মাদক সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট ও বিরক্তিকর আচরণের অভিযোগে মো. আজিম (২৭) এবং সবুজপাড়া এলাকা থেকে চুরির অভিযোগে মো. মামুন হোসেনকে (২৮) হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। পরে গ্রেপ্তারকৃত ট্যাপেন্টাডল মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট উপধারায় মামলা দায়ের করা হয়। সামারি ট্রায়াল আদালত তাদের প্রত্যেককে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এছাড়া মাদক সেবনের দায়ে মো. আজিমকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে চুরির দায়ে মো. মামুন হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন সামারি ট্রায়াল আদালত। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
