ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলায় মাদকসহ আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রসিকিউশন দাখিলের পর সংক্ষিপ্ত বিচারে একজনকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং অপরজনকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একটি নিয়মিত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে মুন্না মিয়াকে (১৯) ৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে স্থানীয় জনতা কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করেন। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দামুড়হুদা আমলী আদালতে অপরাধ আমলে গ্রহণ ও সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের আবেদন জানিয়ে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়। আদালত সংক্ষিপ্ত বিচারে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
অপর দিকে, উপজেলার জয়রামপুর চায়ের দোকানপাড়া এলাকার খালেকের ছেলে ঈসা নবীকে (৪৪) মাদক সেবনের অভিযোগে এলাকাবাসী আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানায় সোপর্দ করেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধেও আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হলে আদালত তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এছাড়া একটি নিয়মিত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে কলিম উদ্দিন (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দ্রুত প্রসিকিউশন দাখিলের মাধ্যমে আদালতে সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পন্ন করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। এ ধরনের অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
