ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণমূলক কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের ডিঙ্গেদাহ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রুবেল, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনুল আলম, ঠিকাদার হামিদুল ইসলাম টুটুল ও জুয়েল লিংকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এরপর বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের সরিষাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। স্কুল কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, মোমিনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান শেখন, সদর উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ঝণ্টু মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম, মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশাদুল হক, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হাসান মালিক, প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম সোনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিক্ষার্থীদের ওপর। তাই শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন করলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের সুস্থ, পুষ্টিকর ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। মিড ডে মিল কর্মসূচি শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ এবং লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক শিশুর মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। একটি ক্ষুধামুক্ত শিক্ষাঙ্গনই পারে মেধাবী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।’
শরীফুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয় শুধু পাঠদান করার জায়গা নয়, এটি একজন শিক্ষার্থীর নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে আমরা সবসময় পাশে থাকব।’ শেষে তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সম্মিলিতভাবে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
