ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে একটি এমএমআর ও কাজি অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রার সামসুল হক পালিয়ে গেলেও সুফিয়ান ও আব্দুস সাত্তার নামে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অফিসটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রেজিস্ট্রার সামসুল হকের লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত ওই এমএমআর ও কাজি অফিসে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে বিভিন্ন অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। তবে রেজিস্ট্রার সামসুল হক অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যান। এসময় অফিসে থাকা সুফিয়ান ও আব্দুস সাত্তারকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে অনিয়মে জড়িত না থাকার মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রশাসন জানায়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এমএমআর ও কাজি অফিসটি তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেজিস্ট্রার সামসুল হকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহসহ ওই অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে অভিযোগ করে আসছিলেন বলে জানা গেছে।
