ছবির ক্যাপশন:
সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার জেলা ও উপজেলায় মোট ১৯টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখা সূত্রে জানা যায়, ১২টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৫৮৪ জন এইচএসসি (সাধারণ), ২টি কেন্দ্রে ৮৮৬ জন ভোকেশনাল, ৩টি কেন্দ্রে ৩৮৭ জন আলিম এবং ২টি কেন্দ্রে ৫৯৯ জন বিএমটি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গত ২৮ জুন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি এম তারিক-উজ-জামান বলেন, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি সচল রাখা, ধারণকৃত ফুটেজ সংরক্ষণ এবং পরীক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সাংবাদিকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারলেও পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ বা পরীক্ষা চলাকালে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে পারবেন না। তিনি আরও জানান, এবার সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে কোথাও প্রশ্নফাঁস কিংবা এ ধরনের কোনো গুজব ছড়িয়ে পড়লে তা পুরো দেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এছাড়াও জেলা প্রশাসকের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিম/বিএমটি) ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর শিক্ষার্থীবান্ধব ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশের সব ফটোকপি দোকান পরীক্ষার পূর্বের দিন সন্ধ্যা ৬টা হতে পরীক্ষা চলাকালীন সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২ জুলাই (আজ) থেকে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রে কোনো বহিরাগত (রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, যে কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে, সেই কলেজের শিক্ষকবৃন্দ) প্রবেশ করতে পারবেন না।
পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের ২০০ (দুইশত) গজের মধ্যে লোক চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। আদেশ জারীকৃত এলাকায় কোন প্রকার সভা, শোভাযাত্রা, লাঠিসোঁটা বা অন্য কোনো অস্ত্র প্রদর্শন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ব্যতীত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে মাইক বা মাইক্রোফোনের ব্যবহার করা যাবে না।
