চুয়াডাঙ্গায় বইছে তাপপ্রবাহ, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড

ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন, স্বস্তি নেই রাতেও

আপলোড তারিখঃ 2026-06-04 ইং
চুয়াডাঙ্গায় বইছে তাপপ্রবাহ, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড ছবির ক্যাপশন:

তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলায় কয়েকদিন ধরেই তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শ্রমজীবী ও পথচারীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। গতকাল বুধবার বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ।


প্রচণ্ড রোদ ও বাতাসে আর্দ্রতার কারণে গরমের তীব্রতা আরও বেড়েছে। দুপুরের পর থেকেই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও জনসমাগমস্থল তুলনামূলক ফাঁকা দেখা যায়। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, শ্রমিক, অটোরিকশা চালক ও খেটে খাওয়া মানুষ।
শহরের এক মুদি ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই তীব্র গরমে মানুষ খুবই অতিষ্ঠ। স্যালাইন, কোমল পানীয়, পানি ও আইসক্রিমের চাহিদা অনেক বেড়েছে।’ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আগে লোডশেডিং বেশি হতো। এখন তুলনামূলক কম হলেও গরমের কারণে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।’ এক মাঠা বিক্রেতা বলেন, ‘আমাদের ব্যবসা মূলত গরমের ওপর নির্ভরশীল। চুয়াডাঙ্গায় যেমন প্রচণ্ড শীত পড়ে, তেমনি তীব্র গরমও পড়ে। এই সময়ে মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিতে আমরা ঠান্ডা পানীয় বিক্রি করি।’


এক পথচারী বলেন, ‘গরমে খুব কষ্ট হলেও কাজের প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়। কৃষক ও শ্রমিকদের দুর্ভোগ আরও বেশি। পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানো প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহও নির্বিঘ্ন রাখতে হবে।’ এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। তীব্র গরম ও যানজটের কারণে চলাফেরা করাও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।’


আরেক পথচারীর ভাষ্য, ‘এই গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে হলে গাছের সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রতিটি বাড়ির আঙিনা ও রাস্তার পাশে বেশি করে গাছ লাগানো দরকার।’ এক অটোচালক বলেন, ‘গরমে গাড়ি চালানো খুবই কষ্টকর। সারাক্ষণ ঘামে ভিজে থাকতে হচ্ছে। কখনও কখনও বিদ্যুতের সমস্যার কারণে গাড়ি চার্জ দিতেও ভোগান্তি পোহাতে হয়।’


চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। তবে ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং রোদে বের হলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন তিনি।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)