ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামে ১৫ বছর বয়সের একটি কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের পর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা-পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটির মা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত বুধবার দিবাগত রাতে কুন্দিপুর গ্রাম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামের কাদের ব্যাপারীর ছেলে আব্দুল আলী (৪৫), একই এলাকার মন্ডল পাড়ার হোসেন আলীর ছেলে জনি হোসেন (২১) ও আবদুল কাদেরের ছেলে পলাশ আলী (২০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ওই মেয়েটি ছাগল আনার জন্য মাঠে যায়। এসময় পলাতক আসামি মিরাজ ওই মেয়েটিকে চেপে ধরে ভুট্টাখেতের মধ্যে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পলাশ নামে অপর আসামি ওই ধর্ষণের ঘটনাটি তার মোবাইলে রেকর্ড করে। অভিযুক্ত জনি তাদেরকে ভুট্টাখেতের বাইরে পাহারা দেয়। পরে সংঘবদ্ধ ওই ধর্ষকরা মেয়েটিকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলে, এই কথা কাউকে বললে ধর্ষণের এই ভিডিওটি নেটে ছড়িয়ে দিয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হবে। কয়েকদিন পরে আসামিদের মোবাইল থেকে ধর্ষণের ওই ভিডিওটি বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে।
ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটির পরিবার বিষয়টি জানতে পারলে, আসামি পলাশ ভিডিওটি সরিয়ে ফেলতে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। অপর আসামি আব্দুল আলী আবার সামাজিকভাবে মীমাংসাসহ ভিডিও সরাতে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি পুলিশের নজরে আসলে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে একই সাথে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মিরাজকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
