ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর ফুটবল ফাইনালে বালক ও বালিকা—দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আলমডাঙ্গা উপজেলা। গতকাল রোববার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন হিসেবে নয়, পেশা হিসেবেও গড়ে তুলতে পারলে পরিবার ও সমাজ উপকৃত হবে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ তরুণদের মাঝে ক্রীড়াচর্চা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়ন কুমার রাজবংশী এবং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সেলিম রেজা, প্রশান্ত কুমার দে এবং সাঈদ এম হিরন। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই-এই প্রত্যয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল ছিল সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইভেন্ট। বালক বিভাগের ফাইনালে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মধ্যকার ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত থাকলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৫-৩ গোলে সদর উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আলমডাঙ্গা।
অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে দামুড়হুদা উপজেলাকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জিতে নেয় আলমডাঙ্গা উপজেলার কন্যারা। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও উজ্জ্বল ছিলেন আলমডাঙ্গার শেখপাড়া গ্রামের ওয়াহিবা। তিনি ব্যাডমিন্টন বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া অ্যাথলেটিকসে আধিপত্য বিস্তার করেন রাকিবুল ইসলাম রানা। তিনি ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টের পাশাপাশি উশু খেলাতেও চ্যাম্পিয়ন হন। তায়কোয়ান্দোতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন সাইফুল ইসলাম রিয়ক।
প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ছাড়াও সাঁতার, কাবাডি, দাবা, উশু, তায়কোয়ান্দো ও জুডোর মতো বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে মেডেল ও ট্রফি প্রদান করা হয়। ফুটবল দলের এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন টিম ম্যানেজার ইকবাল মিয়া এবং কোচ শরিফুল ইসলাম। কারিগরি সহযোগিতায় ছিলেন সহকারী কোচ ইউনুস আলী, সোহাগ আলী, সাজ্জাদ হোসেন ও উদীয়মান কোচ সাব্বির আহমেদ।
