ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার কার্যালয়ে আলোচনা সভা শেষে এই কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সী।
সভায় ইতঃপূর্বে মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি আলোচিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে মাথাভাঙ্গা নদী দখল দূষণ ঠেকানো, বিভিন্ন স্কুল কলেজে সচেতনমূলক আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ, নদীর পানির অবাধ প্রবাহ ঠিক রাখার করণীয়। বিভিন্ন দখলদারদের কাছ থেকে নদীটিকে বাঁচানোর চেষ্টায় প্রশাসনের সাথে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন বিষয় আলোকপাত করা হয়।
সভায় সবার সহযোগিতায় নদীটিকে নতুনভাবে বাঁচানোর আহ্বান জানানো হয়। এসময় জেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক মুলক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে মাথাভাঙ্গা নদীর আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা মাথাভাঙ্গা নদী কীভাবে আগের রূপে দখল দূষণ থেকে বাঁচানো যায়, এই ব্যাপারে আলোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভার শেষে মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের পূর্বের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তা বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। এরপর মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সীকে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সদস্যরা হলেন- শাহ আলম সনি, হাবিবি জহির রায়হান, হেমন্ত কুমার সিংহ রায়, সুমন পারভেজ, পলাশ কুমার সাহা, জামান আখতার, কামরুজ্জামান সেলিম, জিসান আহমেদ, শামসুজ্জোহা রানা, শেখ লিটন। এছাড়া সাত সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সদস্যরা হলেন- আজাদ মালিতা, নাজমুল হক স্বপন, সরদার আল-আমিন, রাজীব হাসান কচি, মানিক আকবর, শাহজাহান আলী ও বিপুল আশরাফ।
আহ্বায়ক কমিটি জানান, কাজের স্বার্থে নতুন এই আহ্বায়ক কমিটিতে আরো কিছু নাম সংযোজন হতে পারে।
