ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা নিমগ্ন পাঠাগারে ‘জসীম উদ্দীন: জীবন ও সাহিত্য’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার নিমগ্ন পাঠাগারে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুনশি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ কুরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর কবি জসীম উদ্দীন-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন কাজল আহমেদ এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম নিয়ে মূল্যায়ন করেন ইমদাদুল হক।
অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করেন ইমদাদুল হক, সোহেল রানা, তাওহিদ খান, নূরে সিফাত তানিম, নাদিউজ্জামান রিজভী, মুনশি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শারজিল হাসান, বেলায়েত হোসেন বিপু, তামিম হোসেন ডালিম, মুহাম্মদ মাহফুজ ও ইসমাইল শিপন। এছাড়া কবি রাশেদ কিরণ জসীম উদ্দীনের গান ও স্বরচিত কবিতা পরিবেশন করেন এবং হাফেজ ইমরান বকুল নাশিদ পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. সিদ্দিক হোসেন, আব্দুল্লাহ ইব্রাহিম ও আসাদুল্লাহ ইব্রাহিমসহ স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমীরা।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য নাম। ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই পল্লীকবি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে তিনি সাহিত্যচর্চা করে গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের জীবনকে তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, বালুচর, ধানখেত ও সোজন বাদিয়ার ঘাট। এছাড়া তিনি ‘বোবা কাহিনী’ উপন্যাস এবং ‘বেদের মেয়ে’ নাটক রচনা করেছেন। সহজ-সরল ভাষায় গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি ও মানুষের আবেগ তুলে ধরার কারণে তাঁর সাহিত্য আজও সমানভাবে পাঠকপ্রিয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্যচর্চার আগ্রহ বাড়বে এবং বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
