ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় জমি দখল করতে না পেরে উল্টো জমির মালিকদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে গ্রাম পুলিশ সদস্য সুবল কুমারের বিরুদ্ধে। তিনি পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং কালিদাসপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত। ভুক্তভোগীদের দাবি, একই গ্রামের আরেক গ্রাম পুলিশ সদস্য বিশু কুমারের সহযোগিতায় সুবল জমিটি দখলের চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে গত ৩ থেকে ৯ মার্চের মধ্যে ১০৭, ১১৭ ও ১৪৫ ধারায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় গালিগালাজ, হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হলেও স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এমনকি মামলার সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা বিশু নিজেও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটির মালিক মৃত শহীদুল ইসলামের পরিবার। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী রেবেকা খাতুন ও ছেলে হানেফ আলী সেখানে বসবাস করছেন। অভিযোগ রয়েছে, জমি ছেড়ে দিতে চাপ সৃষ্টি করতেই এসব মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১৭ বছর বয়সী হানেফকে ২৫ বছর দেখানো হয়েছে এবং অসুস্থ, শয্যাশায়ী আনছার আলীকেও আসামি করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মাসুদ রানা শিপন বলেন, জমিটি শহীদুলের নিজস্ব সম্পত্তি এবং জোর করে নেওয়ার কোনো অধিকার সুবলের নেই। ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুল হক মিকা জানান, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান সম্ভব। এদিকে ভুক্তভোগী রেবেকা খাতুন গত ১০ মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি। ইউএনও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। আলমডাঙ্গা থানার ওসি বাণী ইসরাইল বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
