কুচকাওয়াজ শেষে নাটকে ‘রাজাকার’ চরিত্রে বাধা

আলমডাঙ্গায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপলোড তারিখঃ 2026-03-27 ইং
কুচকাওয়াজ শেষে নাটকে ‘রাজাকার’ চরিত্রে বাধা ছবির ক্যাপশন:

আলমডাঙ্গা উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মঞ্চস্থ একটি নাটকে ‘রাজাকার’ চরিত্রে অভিনয় করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেলের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের মাঠে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও সূত্রে জানা যায়, দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। কুচকাওয়াজ শেষে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, যার শিরোনাম ছিল ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্পে রাজাকারের পাঠ’। নাটকে রাজাকার ও রাজাকারের সহযোগী চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল আলমডাঙ্গা ব্রাইট মডেল স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর। সূচি অনুযায়ী তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ওই চরিত্রে অভিনয় না করার নির্দেশ দেওয়ায় সেটি আর করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।


এ বিষয়ে ব্রাইট মডেল স্কুলের এক শিক্ষার্থীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি এখানে এসেছিলাম রাজাকারের চামচা হিসেবে অভিনয় করতে। এখন আমাদের স্যার (লিটন) বলল, রাসেল পারভেজ এমপি বলেছেন, রাজাকারের পাট নেওয়া যাবে না সমস্যা আছে। সে জন্য এখানে এসে চেঞ্জ হয়ে গেল। আমরা অন্য পাট করলাম। তারপর এখানে আমাদের স্কুলের আলিফ ভাই আসল, তখন আমাদের শিখিয়ে দিল। আমাকে ছেলে বানালো আর রাজাকারকে বাপ বানালো।’


এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালন করা হয়েছে।  কোনো চরিত্রে অভিনয়ে বাধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এবং দেওয়ার সুযোগ নেই। আমি যতদিন আছি আমার পক্ষ থেকে এ ধররের নির্দেশনা আসবে না। আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।


তিনি আরও বলেন, রাজাকার ও রাজাকারের চামচা চরিত্রে বাধা প্রদানের এমন কোনো তথ্য কিংবা অভিযোগ করেনি। তবে এ ঘটনায় এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেলের বক্তব্য জানা যায়নি।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)