ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়। তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ভুক্তভোগী ক্রেতাদের অভিযোগ, চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার পাম্পের মালিকপক্ষ বলছে, তেল সরবরাহ সংকটের কারণে একসঙ্গে ২ লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।
জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, পাম্পগুলোর বাইরে সড়কজুড়ে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। শহরের মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পে দেখা যায় দীর্ঘ লম্বা লাইন। পাম্প থেকে একাডেমি মোড় পর্যন্ত মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয়ে তীব্র যানজট তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। তবুও যানজটের পাশাপাশি জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে গিয়ে সময় ও শ্রম দুটিই ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এসময় মোটরসাইকেল চালকেরা জানান, ‘দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল পাচ্ছি। রোজা থেকে রোদের ভেতর এভাবে দাঁড়ানো খুব কষ্টের।
চুয়াডাঙ্গা সদর পুলিশ ফাঁড়ির এটিএসআই মুনতাজ বলেন, ‘পাম্পগুলোতে যাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং রাস্তায় যানজট নিরসনে আমরা এখানে ডিউটি করছি। সকলে সুশৃঙ্খলভাবে তেল নিলে সকলের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে।’ মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার কাওসার আলী বলেন, ‘আমরা চাহিদা মোতাবেক তেল পাচ্ছি না বলেই এই ভোগান্তি। সকল গ্রাহককে তাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল না দিলেও মোটামুটি একটা সাপোর্ট আমরা দিচ্ছি। আমাদের কাছে যতক্ষণ জ্বালানি আছে, আমরা ততক্ষণ গ্রাহক সেবা দিয়ে যাবো।’
