ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর ধোপাখালী সীমান্তে চোরাকারবারিদের হাতে বাংলাদেশীকে
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগরের ধোপাখালী সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারীদের হাতে বাংলাদেশী নাগরিক কবির হোসেনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৫ জনের বিরূদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রাতে নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে জীবননগর থানায় ৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জীবননগর থানায় মামলা দায়েরর বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত করেছে। মামলায় উল্লেখিত আসামিরা হলেন- জীবননগর উপজেলার রাজপুর গ্রামের বাকা হুজুরের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪৫), সনে মন্ডলের ছেলে জিয়ারুল (৫৫), আব্দুল বারীর ছেলে বাশার (৩৪), মানিকপুর গ্রামের হোসেন দপ্তরীর ছেলে ঠান্ডু (৫৫) ও গফুরের ছেলে শরিফ (২৫)।
পুলিশ জানায়, নিহতের ভাই ফারুক হোসেন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত করে জীবননগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নাহিরুল ইসলাম জানান, সীমান্তে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার আসামিদেরকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এবিষয়ে জীবননগর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা হয় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (জীবননগর ও দামুড়হুদা সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ’র সাথে। তিনি বলেন, ‘ধোপাখালী সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিককে কুপিয়া হত্যার ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্ত করে দেখা হবে মূল বিষয় কী। শিঘ্রই জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
উল্লেখ্য, গত রোববার (১২ নভেম্বর) বিকেলে চোরাকারবারীতে বাধা দান ও বিজিবর সোর্স হয়ে কাজ করার অপরাধে চুয়াডাঙ্গার ধোপাখালী সীমান্তে অবৈধ্যভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ভারতের দুই চোরাকারবারী ধোপাখালী সীমান্তে অবৈধ্যভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে উপজেলার রাজাপুরের কবিরকে হত্যা করে ফেলে রেখে যায় দুর্বত্তরা। পরে এলকাবাসী উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
