ছবির ক্যাপশন:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রুহুল আমিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ইনসাফভিত্তিক সমাজ কায়েমের লক্ষ্যে ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। বিগত ৫৪ বছরে আমরা আমাদের দু‘মুঠো ভাত আর আর নিরাপদে জীবনযাপনের গ্যারান্টি পাইনি, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সেটা নিশ্চিত করবে ইনশাল্লাহ। জামায়াত আগামীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে। অন্যায় দুর্নীতিমুক্ত শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জামায়াতের প্রতিটি কর্মী। মায়ের গর্ভে সন্তান যেমন নিরাপদ, জামায়াতের কাছে এ দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি ও সকল ধর্মের মানুষ তেমনি নিরাপদ থাকবে।
গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব দর্শনা পৌরসভার মেমনগর, বাদ এশা ঈশ্বরচন্দ্রপুর চৌরাস্তা মোড়, রাত ৯টায় কালিদাসপুর দাসপাড়ায় যুব সমাজের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তার প্রমাণ ৫ আগস্ট থেকে গত দেড় বছরে আপনারা দেখেছেন। আমরাতো অন্যদের মতো অনেক টাকা কামাই করতে পারতাম, সাহায্যের নামে টাকা নিতে পারতাম, বর্ডার পার করার নামে মোটা অঙ্কের ব্যবসা করতে পারতাম, দোকান খোলার নামে টাকা নিতে পারতাম, মাছ ঠেকানোর নামে টাকা নিতে পারতাম, মামলা নেব না বলে টাকা নিতে পারতাম, থানার মামলার কথা বলে পুলিশের নামে টাকা নিতে পারতাম কিন্তু কস্মিনকালেও আমরা এর আশপাশ দিয়ে যাইনি। মার কাছে মামার বাড়ির গল্প বলে লাভ নেই।
এর আগে তিনি দর্শনা পৌর এলাকার পাঁচটি ইটভাটায় সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সেখানে নিয়োজিত সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে গণসংযোগ করেন। পরে বেলা ৩টা থেকে নেহালপুর ইউনিয়নের সুকদিয়া, দোস্ত গ্রাম ও দোস্তের বাজারে গণ সংযোগ করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান, অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ, দর্শনা পৌর জামায়াতের আমির ও সাবেক কমিশনার সাহিকুল আলম অপু, পৌর নায়েবে আমির গোলজার হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের থানা সভাপতি আজিজুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুর রউফ, আমজাদ হোসেন, শাহাবুদ্দীন মুক্তি, স্থানীয় ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।
