ছবির ক্যাপশন:
চোরাই মালামাল রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাজাহান আলীর আদালত এই কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দণ্ডবিধির ৪১১ ধারায় জি.আর-২৫১/২৩ (আলমডাঙ্গা) মামলার পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের প্রত্যেককে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ৩০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দৌলতদিয়াড়ের মৃত কাতর মণ্ডলের ছেলে মো. আশিক (৩২), সুমুরদিয়ার মৃত সলেমান সরকারের ছেলে মো. রমজান আলী (৪০) ও কলেজপাড়ার সুরেন্দ কুমার সাহার ছেলে শুভ সাহা (৩২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর রাত ১০টা ২০ মিনিটে আলমডাঙ্গার জেহালা বাজারে মো. মামুন হোসেনের ভাঙাড়ি দোকানের সামনে স্থানীয় লোকজন তিনজনকে চোরাই মালামালসহ আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামিরা সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত মালামাল চোরাই বলে স্বীকার করেন। তাদের কাছ থেকে সাদা সালফারের বস্তার ভেতরে রাখা একটি খালি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার (তেল ও কয়েল ছাড়া) উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তিনটি পুরাতন ভাতের হাঁড়ি, ছয়টি ছোট তরকারির হাঁড়ি, একটি ভাঙা ছোট কলস, একটি স্টিলের ছোট গামলা ও তিনটি স্টিলের ছোট গ্লাস উদ্ধার করা হয়। প্রমাণাদি পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করেন।
