ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরের গাংনীর সহড়াবাড়িয়া মাঠে প্রতিপক্ষের আগাছানাশক প্রয়োগে আলাল উদ্দীন নামের এক কৃষকের এক বিঘা ধানক্ষেত পুড়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। শেষ সম্বল ওই জমির ধান নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। আলাল উদ্দীন গাংনীর শিমুলতলা গ্রামের মতলেব আলীর ছেলে।
আলাল উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ওই জমি প্রায় ৪০ বছর ধরে আবাদ করে আসছেন। কিন্তু শরিক মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ফজলুল হক, দীর্ঘদিন ধরে একই মাঠে সমপরিমাণ জমি ভোগ করছেন। আলালের জমিটি রাস্তার পাশে হওয়ায় হঠাৎ ফজলুল হকের নজরে আসে এবং তা দখলের চেষ্টা শুরু করেন। নানা সময় হুমকিও দেন। শেষ পর্যন্ত জমি দখলের উদ্দেশ্যে ফজলুল হক তার ভাগিনা মিলন ও সাগর গত মঙ্গলবার সকালে প্রকাশ্যে ওই ধানক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে দেন। যার ফলে তিনদিনের মধ্যে সমস্ত ক্ষেত পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
আলাল উদ্দীন বলেন, ‘আমি অসহায় হয়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
স্থানীয়রা জানান, প্রকাশ্যে আগাছা নাশক প্রয়োগের সময় কারো সন্দেহ হয়নি। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। পরে তিনজন প্রতিপক্ষ স্বীকার করেন এটি আসলে আগাছা নাশক। ঘটনার পর দুদিন কোনো প্রতিক্রিয়া না থাকলেও বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টম্বর) সকালে ধানক্ষেতের পুড়ে বিবর্ণ রূপ দৃশ্যমান হয়েছে। গ্রামবাসীরা এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফজলুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে থানায় কেউ কোনো তথ্য জানায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
