ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগরে পালিত মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক পিতার বিরুদ্ধে। এমনকি অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় তাদের আটক করে গ্রামবাসী বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এবিষয়ে অভিযুক্ত ওই পিতার কোন বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া ধর্ষিতা ওই পালিত কন্যাও দিয়েছে গাঢাকা।
জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের কর্ন্দপপুর গ্রামের মৃত তহিদ মন্ডলের ছেলে মাহা (৪২) ঘরে প্রথম পক্ষের একটি স্ত্রী ও দুটি সন্তান রেখে একটি কন্যাসহ রেকসোনা নামের মহিলাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীর আগের পক্ষের কন্যা (১৮)’র সাথে পরকীয়া সম্পর্কও গড়ে তোলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। পরে মাহার পালিত কন্যার বিয়ে হয়ে গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দিনেরপর দিন ধর্ষণ করেন বলেও নাম না প্রকাশের শর্তে অনেকে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন। এছাড়া সর্বশেষ গত শুক্রবার পালিত কন্যার সাথে মাহা ওরফে মাহাবুলকে গ্রামবাসী অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলে আটক করে। পরবর্তীতে মাহাবুল ও তার পালিত কন্যা কৌশলে বিষয়টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে সটকে পড়ে বলে গ্রামের অনেকে এই প্রতিবেদককে জানায়।
উক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাবুলের সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাবুলের দ্বিতীয় স্ত্রী রেকসোনার সাথে কথা বললে তিনি জানান যে, আমি বিষয়টা জানতাম এবং তাকে অনেকবার নিষেধ করেছি। সে আমার কোন কথা শোনেনি বরং এবিষয়ে নিষেধ করলে আমাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করত।
উক্ত ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকার চায়ের দোকান-পাড়া-মহল্লার একমাত্র গল্পের বিষয়বস্তু হয়ে দাড়িয়েছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে মাহাবুল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ারও চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। তবে এই প্রতিবেদকের সাথে তার কোন কথা হয়নি।
