ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে সাংসারিক কলহের জেরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তহমিনা খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। তিনি একই গ্রামের শফিউর রহমানের মেয়ে ও পশ্চিমপাড়ার হৃদয় হোসেনের স্ত্রী। জানা গেছে, সাংসারিক মনোমালিন্যের জেরে চার দিন আগে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে ওঠেন তহমিনা। গত রোববার রাত ১২টার দিকে স্বামী হৃদয় হোসেন শ্বশুরবাড়িতে আসেন, এসময় দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন, কিন্তু সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে, জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোর্শেদ আলম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, তহমিনাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
নিহতের চাচা মশিউর রহমান বলেন, ‘তাদের বিয়েটা হয়েছিল বছরখানেক আগে। শুরুতে সব ভালোই চলছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে নানা বিষয় নিয়ে ওদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রাতে তহমিনার স্বামী এসে দেখে দরজা বন্ধ। পরে দরজা ভেঙে তহমিনাকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রতিবেশী রাকিবুজ্জামান বলেন, ‘আমরা শুনতে পাই তহমিনা আত্মহত্যা করেছে। পরে দেখি হৃদয় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলেও থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
