ছবির ক্যাপশন:
ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে ফাতেমা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় খেলছিল বাড়ির পাশে। তবে পরিবারের সদস্যরা সাড়ে সাতটার দিকে শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেণ। নিহত ফাতেমা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের কুশোডাঙ্গা গ্রামের স্কুলপাড়ার গ্রামের কৃষক ইলিয়াস হোসেনের মেয়ে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তারেক জুনায়েদ বলেন, ‘শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরিবার জানায়, শিশুটিকে সাপে কামড়েছে। তবে শরীরে সাপের কামড়ের কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যার ঠিক আগে বাড়ির পাশে খেলছিল ফাতেমা। একসময় সে একটি গর্তের ধারে যায়। এসময় তার কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে আমরা ছুটে যায়। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিলো। দ্রুত সময়ের মধ্যে মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে আনি। কিন্তু হাপসাতালে নিলে ডাক্তার জানান, আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।’
পরিবারের অন্য সদস্যরা জানান, ‘ফাতেমার ডান পায়ে সাপ কামড় দেয়। তখনই তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতে থাকে। আমরা কেউ সাপটিকে দেখিনি, তবে পায়ে আলামত দেখে নিশ্চিত হয়েছি-এটা সাপের কামড়।’
