ছবির ক্যাপশন:
‘২৪ সালের অভ্যুত্থান শুধুমাত্র শাসকের পরিবর্তনের জন্য নয়, এটি ছিল শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সংঘটিত।’ এমন মন্তব্য করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাড. রুহুল আমিন। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা মাদরাসায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশটি আয়োজন করে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আবু হানিফ।
জেলা আমির রুহুল আমিন বলেন, ‘বিগত সরকার বলেছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেবে। অথচ একটি পিয়নের চাকরি পেতেও ঘুষ দিতে হয়েছে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। ভোটের আগে বলেছিল ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াবে, অথচ তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তারা বলেছিল সবুজ বাংলা বানাবে, পারেনি। এখন আবার কেউ কেউ নতুন বাংলা বানাতে গিয়ে স্বৈরাচারী আচরণ করছে, বিরোধী মতের লোকদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় ভারত আমাদের পাশে ছিল, কিন্তু পরে তারাই আমাদের বড় বড় সম্পদ গিলে খেয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের সম্পদ লুট করে দলের কর্মীদের বিপদে ফেলে পাশের দেশে পালিয়ে গেছে। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। আগামী নির্বাচনে আপনারা দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইসরাইল হোসেন, তালিমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন, জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন ও উপজেলা আমীর নায়েব আলী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর গফুর, উপজেলা সেক্রেটারি আবেদ-উদ-দ্দৌলা, সহকারী সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম জিয়া। সঞ্চালনায় ছিলেন মাওলানা সামসুল ইসলাম। এর আগে বিকেল ৪টায় ইউনিয়ন অফিসে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় ইউনিয়ন, উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্যদের নিয়ে বায়তুল মাল ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
অপরদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাটাচোড়া ব্রিজের ওপর ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে আরেকটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আবুল কাশেম জিহাদী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আমীর নায়েব আলী, মাওলানা সফি উদ্দিন ও মাওলানা আবু জার গিফারী প্রমুখ।
