ছবির ক্যাপশন:
দর্শনায় ৫১ লিটার কেরুজ বাংলা মদসহ হাসিবুল (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের বাসস্ট্যান্ডপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তিনি দর্শনা পৌরসভার ঈশ্বরচন্দ্রপুর দক্ষিণপাড়ার মৃত সামসুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ জানায়, দর্শনার মদন মার্কেটের সামনে রাস্তার ওপর সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন হাসিবুল। এসময় তার কাছ থেকে ৬টি প্লাস্টিক কন্টেইনারে থাকা ৫১ লিটার কেরুজ বাংলা মদ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্যসহ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং আদালতে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ হাসিবুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। একইসঙ্গে আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মদ উদ্ধারের পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে, এত পরিমাণ মদ তিনি কোথা থেকে পেলেন। কে বা কারা তাকে এই চালান সরবরাহ করল। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ঈদ সামনে রেখে ময়মনসিংহ ওয়্যারহাউজ থেকে এক প্রভাবশালী সাবেক শ্রমিক নেতার মাধ্যমে এই চালান দর্শনায় আসে। ধারণা করা হচ্ছে, কেরুজ ডিস্টিলারি থেকেই এই মদ বাইরে এসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এত পরিমাণ মদ কারখানা থেকে সাধারণভাবে বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাই পুলিশ যদি হাসিবুলকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তাহলে মদ চক্রের নেপথ্যের লোকদের নাম বেরিয়ে আসবে। দর্শনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, ‘হাসিবুলের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় একজনের নাম উল্লেখসহ ৫-৭ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মূল হোতাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।’
এ ঘটনায় পুলিশ হাসিবুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। একইসঙ্গে আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মদ উদ্ধারের পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে, এত পরিমাণ মদ তিনি কোথা থেকে পেলেন। কে বা কারা তাকে এই চালান সরবরাহ করল। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ঈদ সামনে রেখে ময়মনসিংহ ওয়্যারহাউজ থেকে এক প্রভাবশালী সাবেক শ্রমিক নেতার মাধ্যমে এই চালান দর্শনায় আসে। ধারণা করা হচ্ছে, কেরুজ ডিস্টিলারি থেকেই এই মদ বাইরে এসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এত পরিমাণ মদ কারখানা থেকে সাধারণভাবে বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাই পুলিশ যদি হাসিবুলকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তাহলে মদ চক্রের নেপথ্যের লোকদের নাম বেরিয়ে আসবে। দর্শনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, ‘হাসিবুলের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় একজনের নাম উল্লেখসহ ৫-৭ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মূল হোতাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।’
