ছবির ক্যাপশন:
সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই এবং মেহেরপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরফরাজ হোসেন মৃদুলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পৃথক দুটি মামলায় হাজিরা দিতে সরফরাজ হোসেন মৃদুল ছদ্মবেশে মেহেরপুর জেলা আদালত প্রাঙ্গণে যান। এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন কর্মী তাকে চিনে ফেললে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণে সমবেত হন।
সরফরাজ হোসেন মৃদুল তার ব্যবসায়িক পার্টনার দেবাশীষ বাগচীর দায়ের করা চেক ডিজঅনার মামলায় মেহেরপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পেলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যদের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তবে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক জুয়েল রানা জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, যে মামলায় মৃদুলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে, তার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশ নেয়। এসময় ছাত্রলীগের ৫০ থেকে ৬০ জন নেতা-কর্মী দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২৮ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী রাশিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেরপুর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ও জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মেহেরপুর সদর থানাকে এজাহার দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটি সদর থানায় নথিভুক্ত হয়। মামলা নম্বর ২০, তারিখ: ২৮/০৮/২৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১২)-এর ধারা ৬(২)/৭(৫)/৭(৬)(ক)/৭(৬)(খ)/১০/১১/১২/১৩ এর আওতায় মামলা করা হয়। এছাড়া আরেকটি মামলা মেহেরপুর সদর থানায় নথিভুক্ত হয়, যার মামলা নম্বর ০৬, তারিখ: ১৯/০৮/২৪, একই আইনের ধারা অনুযায়ী। উল্লেখ্য, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক শারমিন নাহার ছুটিতে থাকায় মামলাটি দ্বিতীয় আদালতের বিচারক জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
