ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাজরাহাটিতে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার এশার নামাজের পর উত্তরপাড়া বায়তুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মাহফিলে আশাবুল হক বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইসলাম আমাদের জীবনের মূলনীতি, যা মানুষের আধ্যাত্মিক উন্নতি ও সামাজিক সুশাসন নিশ্চিত করে। আমরা যদি ইসলামের সত্য শিক্ষা অনুসরণ করি, যুব সমাজ যেমন আলোকিত হবে, তেমনি দেশও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। আমাদের যুবকরা সমাজের চালিকা শক্তি, যারা সঠিক পথে পরিচালিত হলে বিশাল পরিবর্তন আনা সম্ভব।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে শরীফুজ্জামান বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করা হয়েছে। আমাদের ভোটাধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছিল। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলাম। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময় রুখে দাঁড়িয়েছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আমি আপনাদের সকলকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। তার নেতৃত্বে, আমরা জনগণের সেবায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব এবং দেশের উন্নতি সাধনে নিবেদিত থাকব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সকলেই জানি, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপির সংগ্রাম দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের জন্য। যুব সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা এই সংগ্রামে জয়ী হবো। তাই, আসুন আমরা একযোগে কাজ করি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিই।’
মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আলমগীর হোসাইন বিপ্লবী, দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন মওলানা নূরে ইব্রাহীম। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন হাফেজ মাওলানা রেজাউল করিম।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশীদ টনিক, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাবেক আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বকুল, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি স্বপন জোয়ার্দার, সাংগঠনিক আজম, সাবেক কাউন্সিলর ফরজ আলীসহ ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ।
