ছবির ক্যাপশন:
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচকমলাপুরে অবস্থিত হাজী শামসুজ্জোহা জামি’আ আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসার (পূর্বের নাম: পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া কওমিয়া মাদরাসা) পরিদর্শন করেছেন। গতকাল সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি মাদরাসায় অবস্থান করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় অতিবাহিত করেন। সকাল ১০টায় মাদরাসা প্রাঙ্গণে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি।
এসময় বিচারপতি এবং অন্যান্য অতিথিদের মাদরাসার ভবন, লাইব্রেরি, এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা ঘুরে দেখান মাদরাসার পরিচালক, বাংলাদেশ বিজনেস অব চেম্বারের (বিডিচ্যাম) প্রেসিডেন্ট, সাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এনআরবি ওয়ার্ল্ডের প্রেসিডেন্ট, চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান ও হোটেল সাহিদ প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক। বিচারপতিসহ অতিথিরা মাদরাসার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার মান দেখে অভিভূত হন। পরিদর্শনের শুরুতে সাহিদুজ্জামান টরিক মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পিতা প্রয়াত শামসুজ্জোহা এবং মাতা সাহেদা বেগমের কবর জিয়ারত এবং দোয়া পরিচালনা করেন।
এরপর মাদরাসা প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন সাহিদুজ্জামান টরিকের ভাতিজা ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের ছোট ছেলে তাহসিন আহাম্মেদ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থী আব্দুল মমিন। এরপর শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত নাশিদ অনুষ্ঠানের পরিবেশকে আরও ভাবগম্ভীর করে তোলে।
সাহিদুজ্জামান টরিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার প্রথান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী বলেন, ‘আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। মানুষ উড়তে পারে না, কিন্তু তারা বিমান তৈরি করেছে। মানুষ পাহাড় ডিঙাতে পারে না, কিন্তু তারা পাহাড়ে রাস্তা তৈরি করেছে। আমরা মানুষ আমাদের চিন্তা করার যে ক্ষমতা, সেই ক্ষমতাই শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে। আমাদেরকে সেই শ্রেষ্ঠত্ব অন্যের সেবার জন্য কাজে লাগাতে হবে।’
বিচারপতি বলেন, ‘এই গ্রামের পরিবেশে খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ মাদরাসা দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। সাহিদুজ্জামান টরিক ভাই তার পিতার প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসাকে এই উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা তার অন্তরের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ করছে।’ বিচারপতি আরও বলেন, ‘এই মাদরাসা কেবলমাত্র দ্বীনি শিক্ষা নয়, সামাজিক উন্নয়নে এবং নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতেও অসামান্য অবদান রেখে চলেছে।’ তিনি মাদরাসার কার্যক্রম দেখে অভিভূত হয়েছেন জানিয়ে মাদসারার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন এবং তার আয়ের একটি অংশ প্রতি মাসে মাদরাসার জন্য দান করবেন জানান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, ‘আপনারা সুশিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে আগামী দিনের দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। জীবনে যে কাজই করবেন, সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে করবেন। সুশিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ই আমাদের সত্যিকার সফলতা এনে দিতে পারে।’
আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আকবর আলী শেখ। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি এই আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরেছি। যদি আজ এই মাদরাসায় না আসতাম তাহলে জানতেই পারতান মা এখানে একটি আদর্শ মাদরাসা রয়েছে।’

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বিদ্যা অর্জন করা সকল নর-নারীর জন্য ফরজ। আল্লাহ’পাকের রাসূল (সা.) বলেছেন- তোমরা বিদ্যা অর্জনের জন্য সুদূর চীন দেশে যাও। এবং দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত বিদ্যা অর্জন করো।’ তোমাদের জন্য জীবন এবং চরিত্র গঠনের জন্য একদম উপযুক্ত সময়। বিদ্যা অর্জন করো। আমরা আজ যে প্রতিষ্ঠানে আছি, এটা সেই বিদ্যা অর্জনের জায়গা। তোমরা সময়ের অপব্যয় করবে না। তোমাদের মানুষ গড়ার কাজে, জীবন গঠনের জন্য আজকে যে বিদ্যা অর্জন করবে, তা তোমাদের সারা জীবনের সঙ্গী হবে থাকবে। মানুষ সম্পদ অর্জনের জন্য যা আয় অর্জন করে, তা স্থায়ী নয়, কিন্তু বিদ্যা এমন একটি অর্জন যা স্থায়ী। তা কেউ তোমাদের থেকে কেড়ে নিতে পারবে না। মানুষের মধ্যে বিদ্যা যত বিলিয়ে দেবে, তা তত বাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘অনেকে মনে করেন মাদরাসার ছাত্ররা জঙ্গিবাদী হয়ে থাকে। কিন্তু আমি মনে করি মাদরাসায় পড়া শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদী হতে পারে না। আমি মনে করি মাদরাসার শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হয়, তাদের আচরণ, শিক্ষা সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে অনেক উচু এবং মার্জিত।’ জেলা ও দায়রা জজ আকবর আলী শেখ বলেন, ‘আপনারা এমন একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়েছেন, যে মাদরাসা পরিচালনা করছেন একজন আদর্শ মানুষ। আমি বিশ্বাস করি আপনারাও একদিন সাহিদুজ্জামান টরিক ভাইয়ের ন্যায় আদর্শ মানুষ হয়ে উঠবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে মনে করেন মাদসারার শিক্ষার্থীরা আধুনিকতা থেকে পিছিয়ে থাকে, দেশ পরিচালনায় তাদের ভূমিকা নেই। কিন্তু তোমাদেরকে মানুষের এই ধারণা ভাঙতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘তোমাদের অর্জিত জ্ঞান নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবে না, তোমরা ইসলামের পাশাপাশি বিজ্ঞান, ইতিহাস, রাষ্ট্রনীতি, পররাষ্ট্রনীতি শিক্ষা গ্রহণ করবে। আমরা আশা রাখব, একদিন তোমরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। এবং দেশের মানুষের কল্যাণে সবথেকে বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মারুফুল আবেদিন বলেন, ‘এই মাদরাসায় উপস্থিত না হতে পারলে আজ আমার মনের যে অনুভূতি, তা প্রকাশের সুযোগও পেতাম না। মাননীয় বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী এবং অত্যন্ত সম্মানীয় সাহিদুজ্জামান টরিক ভাইয়ের জন্যই আমি খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ এই মাদরাসায় উপস্থিত হতে পেরেছি। মাদরাসার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা আমার হৃদয়ে একটি প্রশান্তি এনে দিয়েছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আজকের এই দিনটির জন্য শুকরিয়া আদায় করছি।’
কর্নেল মো. মারুফুল আবেদিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম। এই কলেজ যেভাবে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করেছে, একইভাবে এই মাদরাসাও মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করছে। আমি শুনেছি তোমাদের মধ্যে ৮ জন স্ট্যান্ড করা ছাত্র এখানে রয়েছো, তোমরা একদিন নিশ্চয়ই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের কল্যাণে বড় বড় কাজ করবে। শুধুমাত্র দেশে নয়, আমি বিশ্বাস করি তোমরা তোমাদের শিক্ষার আলোয় একদিন সারা বিশ্বে এই মাদরাসার সুনাম আরও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা বলেন, ‘এই মাদরাসায় আসতে পেরে এবং এই মাদসারার শিক্ষার্থীদের সুন্দর মুখগুলো দেখে আমার অত্যান্ত ভালো লাগছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা তাদের মেধার প্রকাশ ঘটিয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় যেন এই মেধাগুলো ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে সকলেকে খেয়াল রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মাদরাসাটি শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক অবদান রাখছে, যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে আমরা আরও এগিয়ে নিতে চাই।’

এছাড়াও বক্তব্য দেন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শামসুজ্জোহার সন্তান ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা সবসময় বলতেন, আল্লাহর ওপর আস্থা রাখলে কখনো হতাশ হতে হয় না। আজ আমি তা গভীরভাবে উপলব্ধি করছি। বাবার সেই আস্থা ও দোয়ার ফলেই এই মাদরাসার এত উন্নতি হয়েছে। বাবার ইচ্ছা ছিল, এই মাদরাসা কখনো কোনো প্রকার সাহায্যের জন্য কারো কাছে হাত পাতবে না। তার সেই নির্দেশনা মেনে মাদরাসা পরিচালনা করা সত্যিই কঠিন ছিল, কিন্তু আল্লাহর রহমতে ধীরে ধীরে সবকিছু সম্ভব হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি যখন এই মাদরাসার ভবনে শিক্ষার্থীদের দেখে তাদের শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায় লক্ষ্য করি, তখন মনে হয় আমাদের পরিশ্রম সফল হয়েছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা শুধু দ্বীনি শিক্ষায় নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধেও প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এখন আমাদের দায়িত্ব এই মাদরাসার উন্নয়ন ধরে রাখা। সকলের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, আপনারা এই মাদ্রাসার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা সবাই মিলে এই মাদরাসাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘মৃত্যুর আগে আমার বাবা আমাকে একটি বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি কখনো এই মাদরাসার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িও না। এটি যেন কিয়ামত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকে, সেই ব্যবস্থা তুমি করে দিও।’ বাবার কথা শুনে আমি অনেক সময় ভাবতাম, কীভাবে এটি সম্ভব হবে।’ আমি তখন বাবাকে প্রশ্ন করতাম, ‘তাহলে মাদরাসা চলবে কীভাবে?’ বাবা সবসময় এক কথায় উত্তর দিতেন, ‘তুমি চালাবে। কারো সাহায্যের দরকার নেই। সৃষ্টিকর্তা তোমার সঙ্গে থাকবেন। তাঁর ওপর ভরসা রাখো।’ বাবার সেই অগাধ বিশ্বাস আমার মনকে শক্ত করেছিল। আজ আমি যখন এই মাদরাসার উঁচু ভবন দেখি, তখন বুঝতে পারি আল্লাহর প্রতি বাবার সেই আস্থা ও বিশ্বাসই আসলে মাদরাসাটিকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কখনো প্রচুর অর্থ ছিল না। একবারে অনেক টাকা খরচ করে এই ভবন নির্মাণ করার ক্ষমতাও আমার ছিল না। কিন্তু আমি বাবার কথার ওপর আস্থা রেখে ধৈর্য্য ধরে কাজ করেছি। একটি ইটের ওপর আরেকটি ইট গেঁথে, ধাপে ধাপে এই ভবন দাঁড় করানো সম্ভব হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এটি সম্পূর্ণ আল্লাহর ইচ্ছায় এবং তাঁর রহমতেই সম্ভব হয়েছে। আজ যখন দেখি শত শত শিক্ষার্থী এই মাদরাসায় দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করছে, তখন মনে হয় বাবার কথাগুলো সত্যি হয়ে গেছে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, সৃষ্টিকর্তা যদি চান, তবে সবকিছুই সম্ভব। আজ আমি সেই সত্যকে উপলব্ধি করি। এই মাদরাসা কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার বাবার স্বপ্ন, তাঁর দোয়া, এবং আল্লাহর প্রতি তাঁর অবিচল আস্থার একটি জীবন্ত নিদর্শন। আমার প্রত্যাশা, এই মাদরাসা অনন্তকাল ধরে শিক্ষার আলো ছড়াবে এবং আমাদের সমাজের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
এছাড়াও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন, চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম, ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জ্যাকি, জাহঙ্গিীর আলম, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান শামীম, মুহতামিম আ. রাজ্জাক সাহেব (দাঃবাঃ), নায়েবে মুহতামিম হাফেজ ইনারুল ইসলাম ইন্না, সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব বায়েজিদ ও শিক্ষাসচিব মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান।
মুফতি নাফিউজ্জানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান, মাদরাসার আর্কিটেক, ব্যবসায়ী ও মাদরাসার নতুন ভবন নির্মাণের দেখভালকারী রতন আলী, ব্যবসায়ী রাকিব, নাগরিক টিভি ও ইউএনবি’র জেলা প্রতিনিধি হুসাইন মালিক, 40 ও ডেইলি মর্নিং গ্লোরির জেলা প্রতিনিধি ও সময়ের সমীকরণের নিজস্ব প্রতিবেদক মেহেরাব্বিন সানভী, সময়ের সমীকরণের নিজস্ব প্রতিবেদক রুদ্র রাসেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মাদরাসাটি দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা, আবাসন, খাবার এবং পোশাক বিনামূল্যে প্রদান করছে। মাদরাসাটি পরপর তিনবার জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাদরাসার পুরস্কার অর্জন করেছে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করছে।
এদিকে, মাদরাসার পরিচালক ও মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী এবং অন্যান্য অতিথিদের এই সফরকে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তাঁরা মাদরাসার প্রতি সহযোগিতা এবং উৎসাহ প্রদানের জন্য অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
